Chandranath Rath Biography: মিশনের গণ্ডি পেরিয়ে সোজা বায়ুসেনা অফিসার! সেখান থেকে কীভাবে শুভেন্দুর PA? নেপথ্যে এক প্রশ্নাতীত ভালবাসার গল্প
Suvendu Adhikari’s Aide Chandranath Rath: শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। ঘনিষ্ঠদের মতে, সে সম্পর্ক ছিল প্রশ্নাতীত বিশ্বাসের। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে শুভেন্দু অধিকারী যখন বিজেপিতে যোগ দেন, চন্দ্রনাথ তাঁর প্রধান সহযোদ্ধা ছিলেন। ভবানীপুর উপনির্বাচন থেকে শুরু করে নন্দীগ্রামের ভোট— শুভেন্দুর দৈনন্দিন সূচি, মিটিং ও রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণে তাঁর ভূমিকা ছিল পর্দার আড়ালে থাকা কারিগররের মতো।

কলকাতা: রহড়া রামকৃষ্ণ মিশনের মেধাবী ছাত্র! উচ্চশিক্ষার পর বায়ুসেনায় যোগ। কিন্তু তারপর থেকে সেখানে কীভাবে তাঁর রাজনীতির আঙিনায় পা রাখা? এর নেপথ্যেও রয়েছে এক প্রচণ্ড আনুগত্য-প্রশ্নাতীত বিশ্বাসের সম্পর্ক! শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথের শেকড় ছিল পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে। মেধাবী ছাত্র হিসাবে তাঁর পরিচিতি ছিল শৈশব থেকেই। তিনি ২০০০ সালে উত্তর ২৪ পরগনার বিখ্যাত রহড়া রামকৃষ্ণ মিশন থেকে অত্যন্ত কৃতিত্বের সঙ্গে মাধ্যমিক পাশ করেন ।
উচ্চশিক্ষা শেষ করে তিনি ভারতীয় বায়ুসেনায় (Indian Air Force) যোগ দেন বায়ুসেনায় তিনি শর্ট সার্ভিস কমিশনে (Short Service Commission) অফিসার হিসাবে কর্মরত ছিলেন। বেশ কয়েক বছর বায়ুসেনায় দায়িত্ব পালনের পর তিনি সেখান থেকে অবসর গ্রহণ করেন।
বায়ুসেনা থেকে ফিরে চন্দ্রনাথ রথ রাজনীতির আঙিনায় পা রাখেন। আগে থেকেই তাঁর পরিবারে রাজনীতির ছোঁয়া ছিল। মা অনেক কষ্ট করে, লড়াই করে বড় করেছিলেন তাঁকে। চন্দ্রনাথের মা চণ্ডীপুর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ছিলেন। আর তাঁর মধ্যে দিয়েই রাজনৈতিক সচেতক হয়ে উঠেছিলেন চন্দ্রনাথ।
শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। ঘনিষ্ঠদের মতে, সে সম্পর্ক ছিল প্রশ্নাতীত বিশ্বাসের। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে শুভেন্দু অধিকারী যখন বিজেপিতে যোগ দেন, চন্দ্রনাথ তাঁর প্রধান সহযোদ্ধা ছিলেন। ভবানীপুর উপনির্বাচন থেকে শুরু করে নন্দীগ্রামের ভোট— শুভেন্দুর দৈনন্দিন সূচি, মিটিং ও রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণে তাঁর ভূমিকা ছিল পর্দার আড়ালে থাকা কারিগররের মতো। ছাব্বিশের নির্বাচনের সময়ে তিনি ছিলেন নন্দীগ্রামে। ভবানীপুরেও শুভেন্দুর নির্বাচনী প্রচারের স্ট্র্যাটেজি সামলেছিলেন।
বুধবার রাতে সেই চন্দ্রনাথই গুলিতে ঝাঁঝরা হয়েছেন। মধ্যমগ্রাম থেকে ফেরার সময়ে দুষ্কৃতীরা তাঁকে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দিয়েছেন। ইতিমধ্যেই এই ঘটনার তদন্তে সিআইডি। বৃহস্পতিবার সকালেই ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছেন তাঁরা। জানা যাচ্ছে, যে গাড়িটি চন্দ্রনাথের গাড়ির সামনে এসে রাস্তা আটকায়, সেটি আসলে চুরির। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকেই গ্রেফতার করা হয়নি।
