Fuel Crisis in Kolkata: ভিড়ের চাপে বন্ধ পেট্রোল-ডিজেল! সিএনজি-তেও টান? চারচাকার লাইন বেড়েই চলেছে পাম্পে পাম্পে
Fuel Crisis: পেট্রোলে গাড়ি চালিয়ে সেভাবে লাভ হচ্ছে না, তাই সিএনজি গাড়ির পথে হাঁটছিলেন। এখন তাও যদি না পাওয়া যায় তাহলে চলবে কি করে সেই প্রশ্নই ভাবাচ্ছে চালকদের। যেখানে পেট্রোলে মাইলেজ দেয় ১১-১৩ কিমি সেখানে সিএনজি তে দেয় ১৮-২০ কিমি। কিন্তু সেই সিএনজি-তেও এখন টান পড়লে চালকরা দিনের কী যে করবেন তা ভেবেই পাচ্ছেন না চালকরা।

কলকাতা: পাম্পে পাম্পে গ্যাসের আকাল। মহাফাঁপড়ে কলকাতার অটো চালকরা। সংসার চলবে কী করে তা ভেবেই উড়েছে রাতের ঘুম। ভোর থেকেই গ্যাস ভরার লাইনে। কেউ তো আবার এলেন রাত ২টোতেও। কেউ আবার ১টা। কেউ আবার লাইনে অটোতে বসেই পড়লেন ঘুমিয়ে। বেঙ্গল কেমিক্যালের সামনে তো ভয়ঙ্কর দুর্দর্শার ছবি। থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার লম্বা লাইন। চালকদের মুখে একটাই কথা, কখন গ্যাস পাব জানি না, কখনই বা গাড়ি চালাব সেটাও জানি না। কেউ আবার বললেন, কাল তো সারাদিন লাইনে ছিলাম। শেষ মুহূর্তে যখন গাড়িতে গ্যাসব ভরব তখন শুনতে পেলাম গ্যাস শেষ।
সল্টলেক সিটি সেন্টার হোক বা বেঙ্গল কেমিক্যাল, সর্বত্রই শুধু অটোর লাইন। তবে লাইন বাড়ছে চারচাকারও। এলপিজি তো রয়েছে সঙ্গে আবার সিএনজি-র লাইনেও বাড়ছে ভিড়। লম্বা লাইন পড়ছে চারচাকা গাড়িরও। সমস্যা যে ক্রমেই বাড়ছে তা বলছেন পাম্পের কর্মীরাই। ৩ গাড়ির গ্যাসের বদলে দিনে আসছে তার অর্ধেক। বা তারও কম। যা সমস্যায় ফেলছে চালক থেকে পাম্প কর্মী সকলকে। কাঁকুরগাছি পাম্পে আবার সকাল থেকে বন্ধ পেট্রোল-ডিজেল দেওয়া। তাও লম্বা লাইন শুধু গ্যাসের।
পেট্রোলে গাড়ি চালিয়ে সেভাবে লাভ হচ্ছে না, তাই সিএনজি গাড়ির পথে হাঁটছিলেন। এখন তাও যদি না পাওয়া যায় তাহলে চলবে কি করে সেই প্রশ্নই ভাবাচ্ছে চালকদের। যেখানে পেট্রোলে মাইলেজ দেয় ১১-১৩ কিমি সেখানে সিএনজি তে দেয় ১৮-২০ কিমি। কিন্তু সেই সিএনজি-তেও এখন টান পড়লে চালকরা দিনের কী যে করবেন তা ভেবেই পাচ্ছেন না চালকরা। অন্যদিকে অটোয় জ্বালানি হিসাবে ব্যবহৃত এলপিজির দাম প্রতি লিটারে ৫ টাকা বেড়ে গিয়েছে। কালও দাম ছিল ৫৭ টাকা ৬৮ পয়সা। এখন তা ৫ টাকা বেড়ে হয়ে গিয়েছে ৬২ টাকা ৬৮ পয়সা।
