Kolkata Police: পুলিশের ওয়েলফেয়ার কমিটির পদস্থ কর্তার ছেলের গাড়ি আটকেছিলেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বদলি সার্জেন্ট, কারণ ঘিরে বাড়ছে জল্পনা
Kolkata Police Traffic Sergeant: বৃহস্পতিবার রাতে দেশপ্রিয় পার্কের কাছে রুটিন গাড়ি চেকিংয়ের সময় কলকাতা পুলিশের ওয়েলফেয়ার কমিটির ওই কর্তার ছেলের গাড়ি আটকেছিলেন ট্র্যাফিক সার্জেন্ট শান্তনু নায়েক। সাউথ ইস্ট ট্র্যাফিক গার্ডের সার্জেন্ট শান্তনু নায়েক গাড়ি থামাতেই ভিতর থেকে হুমকির সুরে সেই কর্তার নাম বলে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ।

কলকাতা: ডিউটিতে ছিলেন। রুটিন গাড়ি চেকিংয়ের সময় আটকেছিলেন একটি গাড়ি। আর সেই গাড়িতেই ছিলেন কলকাতা পুলিশের ওয়েলফেয়ার কমিটির এক পদস্থ কর্তার ছেলে। ওই গাড়ি থামানোর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বদল করা হল ট্র্যাফিক সার্জেন্টকে। আর এই বদলি ঘিরে কলকাতা পুলিশের অন্দরে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। গাড়ি থামানোর জেরেই কি আচমকা বদলি করা হল ট্র্যাফিক সার্জেন্টকে? উঠছে প্রশ্ন। সূত্রের খবর, সাউথ ইস্ট ট্র্যাফিক গার্ড থেকে সরাসরি লালবাজারে DRO তে ‘ক্লোজ’ করা হয়েছে সার্জেন্ট শান্তনু নায়েককে।
বৃহস্পতিবার রাতে দেশপ্রিয় পার্কের কাছে রুটিন গাড়ি চেকিংয়ের সময় কলকাতা পুলিশের ওয়েলফেয়ার কমিটির ওই কর্তার ছেলের গাড়ি আটকেছিলেন ট্র্যাফিক সার্জেন্ট শান্তনু নায়েক। সাউথ ইস্ট ট্র্যাফিক গার্ডের সার্জেন্ট শান্তনু নায়েক গাড়ি থামাতেই ভিতর থেকে হুমকির সুরে সেই কর্তার নাম বলে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। গাড়িতে থাকা যুবকের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় চলে। তারপর ট্র্যাফিক গার্ডের হস্তক্ষেপে বিষয়টি তখন মিটে যায়। শোনা যাচ্ছে, ওয়েলফেয়ার কমিটি ঘনিষ্ঠ কিছু অফিসার ঘটনাস্থলে ছুটে এসেছিলেন বিষয়টি মেটানোর জন্য।
জানা গিয়েছে, শুক্রবার ওই সার্জেন্টকে লালবাজারে ডেকে পাঠানো হয়। ডিসি ট্র্যাফিকের কাছে ‘পুট আপ’ করানো হয় সার্জেন্টকে। জানানো হয় লালবাজারে বদলির কথা। যদিও এই আচমকা বদলির কোনও ডিপার্টমেন্টাল অর্ডার বেরোনোর খবর আসেনি। পুলিশ মহলের একাংশের মতে, ওয়েলফেয়ার কমিটির ‘চাপে’ ওই ট্র্যাফিক সার্জেন্টকে বদলি করা হয়েছে।
যদিও ওয়েলফেয়ার কমিটি সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের বক্তব্য, পুলিশের স্বার্থেই এই কমিটি কাজ করে। এরকম কিছু ঘটলে ওয়েলফেয়ার কমিটি ঝাঁপিয়ে পড়ত। এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়ার জন্য ডিসি ট্র্যাফিক ও জয়েন্ট সিপি ট্র্যাফিকের সঙ্গে একাধিকবার ফোন করে ও মেসেজ করে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়। তবে যোগাযোগ করা যায়নি। তবে ট্র্যাফিক সার্জেন্টের এই আচমকা বদলির জেরে ব্যাপক ক্ষোভ ছড়িয়েছে পুলিশ মহলে।
