AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

BJP’s Party Office: ‘সরকারের জমিতে শুভেন্দুর প্রচার অফিস!’ তৃণমূল প্রশ্ন তুলতেই শুভেন্দুর পাল্টা, ‘মমতার বাড়িই তো…’

BJP's Party Office in Bhawanipur: আলিপুর ব্রিজের কাছে তৈরি হয়েছে শুভেন্দুর এই কার্যালয়। কিন্তু শীততাপ নিয়ন্ত্রিত ঝাঁ চকচকে দুটো হল একটা ঘর বিশিষ্ট এই কার্যলয় নিয়ে ঘাসফুল শিবিরের আপত্তি। তাঁদের সাফ কথা, পুরসভা এবং পুলিশের নিষেধাজ্ঞাকে অমান্য করেই এই কার্যালয় তৈরি হচ্ছে।

BJP's Party Office: 'সরকারের জমিতে শুভেন্দুর প্রচার অফিস!' তৃণমূল প্রশ্ন তুলতেই শুভেন্দুর পাল্টা, 'মমতার বাড়িই তো...'
রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর Image Credit: TV 9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Mar 29, 2026 | 1:15 PM
Share

কলকাতা: ভোটের হটস্পট ভবানীপুরে এবার বিজেপি-তৃণমূলের নতুন লড়াই। বেআইনিভাবে শুভেন্দুর কার্যালয় তৈরির অভিযোগ। নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ দাবি করে চিঠি দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডে বিতর্কিত ওই অফিস তৈরির অভিযোগ। জমিতে আবার নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে হাইকোর্ট। তৃণমূলের দাবি, সেই নির্দেশ অমান্য করেই পার্টি অফিস তৈরি করছে বিজেপি। ফলে এখন বিজেপির এই নতুন নির্বাচনী কার্যালয় তৈরি নিয়ে শুরু হয়ে গিয়েছে চাপানউতোর।

আলিপুর ব্রিজের কাছে তৈরি হয়েছে শুভেন্দুর এই কার্যালয়। কিন্তু শীততাপ নিয়ন্ত্রিত ঝাঁ চকচকে দুটো হল একটা ঘর বিশিষ্ট এই কার্যলয় নিয়ে ঘাসফুল শিবিরের আপত্তি। তাঁদের সাফ কথা, পুরসভা এবং পুলিশের নিষেধাজ্ঞাকে অমান্য করেই এই কার্যালয় তৈরি হচ্ছে। শুভেন্দু আবার সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে বসেছেন। তীব্র কটাক্ষের সুরে বললেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িটাই বেআইনি। ওকে আগে বলবেন বাড়ির দলিল দেখাতে, তারপর আমি কাগজ দেখাব।”  

কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলছেন, “আমরা ইতিমধ্যেই নোটিস দিয়ে দিয়েছি। থানায় এফআইআর করে দিয়েছি। জায়গাটাই তো বিতর্কিত। ফলে ওটা বেআইনি নির্মাণ। এমনিতে এটা সরকারের জায়গা। সেটা দখল করেছিল একটা গুন্ডা। তারপর এখন বিজেপি দখল করার চেষ্টা করছে।” 

অন্যদিকে বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলছেন, “আশা করি যা নিয়ম মেনেই আমাদের অফিস তৈরি হয়েছে। সেটা তো আর শুভেন্দুদা নিজের হাতে করেনি। পার্টির লোকেরা করেছে।” তবে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি কুণাল ঘোষ। তিনি বলছেন, “গোটা ব্যাপারটাই তো বেআইনি। উনি তো নন্দীগ্রামের বেআইনি বিধায়ক ছিলেন। নন্দীগ্রামে তো ইলেকশন কমিশনকে কাজে লাগিয়ে কারচুপি করে জিতেছিলেন। আজও মামলা বিচারাধীন। এবার নন্দীগ্রামেও হারবেন ভবানীপুরেও হারবেন। ভবানীপুরে তো প্রার্থী হয়েই বেআইনি কাজ শুরু করেছেন।”   

Follow Us