Satarup Ghosh: ঋত-বিধায়করা যোগাযোগ করছে সিপিএমের সঙ্গে? ‘নিয়মিত কথা হচ্ছে..’ বোমা ফাটালেন শতরূপ
Satarup Ghosh on Ritabrata Banerjee: শতরূপ ঘোষ বলেন, "ঋত তৃণমূলের এমএলএ যারা আছেন, যদি ভেবে থাকেন তারা ঋতব্রতর সঙ্গে আছেন, তাহলে জেনে রাখুন, তাদের মধ্যে বেশিরভাগই নেই। অনেকে আমাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করছেন। কয়েকজনের নিয়মিত কথা হচ্ছে।"

কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনে হারের পরই ভেঙে টুকরো টুকরো হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) গড়া দল এখন তিন টুকরোয় বিভক্ত। বিধানসভায় যেমন মমতার হাত ছেড়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Ritabrata Banerjee) শিবিরে চলে গিয়েছেন কমপক্ষে ৬৪ জন বিধায়ক, সেখানেই আবার লোকসভায় ২০ জন সাংসদ তৃণমূল থেকে বিদ্রোহ ঘোষণা করে দল ছেড়েছেন এবং এনসিপিআই (NCPI) নামক অন্য একটি রাজনৈতিক দলে মিশে গিয়েছেন। ছন্নছাড়া তৃণমূলে ভাঙন এখানেই থামছে না। এবার কি ঋত শিবিরেও ভাঙন ধরছে? বিস্ফোরক দাবি সিপিএম নেতা শতরূপ ঘোষের (Satarup Ghosh)। তিনি বললেন, ঋতব্রত শিবিরের বিধায়করা নাকি যোগাযোগ করছেন সিপিএমের সঙ্গে! এমনকী, শতরূপ ঘোষের সঙ্গেও নাকি তাঁদের কথা হয়েছে।
এদিন টিভি৯ বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শতরূপ ঘোষ বলেন, “ঋত তৃণমূলের এমএলএ যারা আছেন, যদি ভেবে থাকেন তারা ঋতব্রতর সঙ্গে আছেন, তাহলে জেনে রাখুন, তাদের মধ্যে বেশিরভাগই নেই। অনেকে আমাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করছেন। কয়েকজনের নিয়মিত কথা হচ্ছে। এবং আমি আপনাকে এটাও জানিয়ে রাখি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা পাকা করে ফেলার দিকে এগোচ্ছেন।”
রাজ্যসভায় যাচ্ছেন ঋতব্রত?
কী প্ল্যানিং ঋতব্রতর? শতরূপ ঘোষের দাবি, বিজেপির টিকিটে রাজ্যসভায় যাওয়ার জন্য দিল্লির সঙ্গে কথা বলছেন ঋতব্রত। তিনি বলেন, “ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় আগামিদিনে বিজেপির টিকিটে রাজ্যসভায় যাবেন। কথাবার্তা, আলোচনা বিজেপির সঙ্গে পাকা হওয়ার দিকে। শুভেন্দু অধিকারীর নিয়ন্ত্রণেও নেই ব্যাপারটা। শুভেন্দু অধিকারী ভেবেছিলেন তাঁর পোষা হয়ে থাকবে, কিন্তু ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়ার মতো করে দিল্লির সঙ্গে লাইন করে ঋতব্রত সেই ব্যবস্থা করে নিয়েছেন।”
তাহলে ঋত শিবিরের বিধায়কদের কী হবে?
এর উত্তরও দিয়ে দেন বাম নেতা। বলেন, “ওঁর সঙ্গে যে বিধায়করা রয়েছেন, তারা দেখতে পাচ্ছেন, আমাদের আমও গেল, ছালও গেল! ঋত নিজেরটা গুছিয়ে নেবে, আমাদের সামনে না খুলবে বিজেপির দরজা, না থাকবে মাথার উপরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশীর্বাদ।”
