Anandapur Fire: ‘দমকল মন্ত্রী কোথায় দম দিচ্ছেন উনিই বলতে পারবেন’, সুজিত না আসায় খোঁচা বিরোধীদের

Fire in Kolkata: কটাক্ষ করেছেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তীব্র খোঁচা দিয়ে তিনি বলেন, “দমকল মন্ত্রী এখন কোথায় দম দিচ্ছেন উনিই বলতে পারবেন। আমি প্রত্যেক মাসেই বলি দুমাস অপেক্ষা করুন হয় কোথাও বোমা ফাটবে, নয় কোথাও অবৈধ বাজি কারখানায় আগুন লাগবে, নাহলে কোথাও কোনও বাজারে আগুন লেগে যাবে, জতুগৃহ তৈরি করে রাখা হয়েছে তো। পশ্চিমঙ্গে তো সাময়িক বিরতিতেই এই ঘটনা ঘটছে।”

Anandapur Fire: ‘দমকল মন্ত্রী কোথায় দম দিচ্ছেন উনিই বলতে পারবেন’, সুজিত না আসায় খোঁচা বিরোধীদের
রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর Image Credit source: TV 9 Bangla

| Edited By: জয়দীপ দাস

Jan 26, 2026 | 7:21 PM

কলকাতা: আনন্দপুরে নামজাদা মোমো কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮। এখনও খোঁজ মিলছে না ২৫ জনের। এমনটাই খবর পুলিশ সূত্রের। এদিকে ঘটনার পর ১৭ ঘণ্টা কেটে গেলেও এখনও দেখা নেই দমকল মন্ত্রীর। কোথায় সুজিত বসু? সেই প্রশ্নই জোরালভাবে তুলছেন বিরোধীরা। রাজনৈতিক মহলে জোরদার চাপানউতোর। স্বজনের খোঁজ না পেয়ে উৎকণ্ঠায় পরিজনরা। তাঁদের ক্ষোভের আগুনেও জ্বলছে আনন্দপুর।  

আগেই তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছিল বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। তীব্র কটাক্ষবাণ শানিয়ে বলেন, “দমকল নন-পারফর্মিং। দমকলের পৌঁছানো থেকে রেসকিউ যেভাবে চলেছে আসলেই অনেক মানুষকে মানুষকে মৃত্যুর মুখে ফেলে দেওয়া হয়েছে। বিক্ষোভের ফলে কোনও মন্ত্রী যায়নি। ৮ ঘণ্টা পরে অরূপ বিশ্বাস গিয়েছে। দমকল মন্ত্রীর তো এখনও দেখা নেই। বহু লোক মারা গিয়েছে। মেদিনীপুরের অনেক ছেলেও রয়েছে, ওরা ডেকরেটরের কাজ করতো। আমরা নজর রাখছি। এই মুহূর্তে আমরা ওখানে গিয়ে উদ্ধারকারীদের কাজে বাধা সৃষ্টি করতে চাই না, বা ছবি তুলতে চাই না।” 

১৫ ঘণ্টা পরে ঘটনাস্থলে যান যাদবপুরের সাংসদ সায়নী ঘোষ। তিনি যদিও বলছেন, “আগুনের পরিমাণ এতটাই ভয়াবহ যে জোরদারভাবে কিছু করা যাচ্ছে না। আগে দেখতে হবে ভিতরে কতজন ছিলেন। এখন কিছু বলাটা ঠিক হবে না। পুরোটাই তো পুলিশ দেখছে। পুরো আগুনটা না নেভা পর্যন্ত বোঝা যাচ্ছে না কতজন রয়েছে।”  

কটাক্ষ করেছেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তীব্র খোঁচা দিয়ে তিনি বলেন, “দমকল মন্ত্রী এখন কোথায় দম দিচ্ছেন উনিই বলতে পারবেন। আমি প্রত্যেক মাসেই বলি দুমাস অপেক্ষা করুন হয় কোথাও বোমা ফাটবে, নয় কোথাও অবৈধ বাজি কারখানায় আগুন লাগবে, নাহলে কোথাও কোনও বাজারে আগুন লেগে যাবে, জতুগৃহ তৈরি করে রাখা হয়েছে তো। পশ্চিমঙ্গে তো সাময়িক বিরতিতেই এই ঘটনা ঘটছে।” বিজেপি নেতা সজল ঘোষও তীব্র কটাক্ষবাণ শানাচ্ছেন। প্রশাসনের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে তিনি বলছেন, “বিনা লাইসেন্সে, বিনা পারমিটে তাঁদের অনুমতি দিয়ে দিয়েছ। তাই এটা চলছে।” অরূপ বিশ্বাস যদিও বলছেন, “আগুন নিয়ন্ত্রণ এসেছে, ধোঁয়া ভিতরে রয়ে গিয়েছে। ধোঁয়া না বের করলে তো ভিতরে ঢোকা যাচ্ছে না। তবে কোন উৎস থেকে আগুন লেগেছে সেটা এত দ্রুত বোলা সম্ভব নয়।”

তবে দুর্ঘটনার খবর গিয়েছে রাজ্যের দমকল মন্ত্রীর কাছে। টিভি৯ বাংলার তরফে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেছিলেন, ‘ভোর তিনটের সময় খবর পেয়েছি। ওই এলাকায় দু’টি গোডাউন রয়েছে। একটি নামজাদা মোমো কোম্পানির। অন্যটি একটি ক্যাটারিং সংস্থার। দমকল কাজ করছে। সবটাই নজরে রাখা হয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে।’