
প্রদীপ্তকান্তি ঘোষ
কলকাতা: মাঝে আর তিনদিন। তারপরই ব্রিগেডে সভা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। সেই সভার জোর প্রস্তুতি চলছে ব্রিগেডে। সভার কাজে নিযুক্ত কর্মীদের দম ফেলার ফুসরত নেই। চলছে মঞ্চ তৈরির কাজও। কিন্তু, সেই মঞ্চই নাকি এবার খুলতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এসপিজি নাকি মঞ্চ খুলতে বলেছে। মঞ্চ খুলে মাটি পরীক্ষা করা হবে। তারপরই মঞ্চ তৈরি হবে। এই নিয়ে জল্পনা ছড়ানোর পরই মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রীর সভামঞ্চের কাজ দেখভাল করার দায়িত্বে থাকা বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। কী বললেন তিনি?
বাংলায় ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা না হলেও রাজনীতির পারদ ক্রমশ চড়ছে। ময়দানে নেমে পড়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। বিজেপিও রাজ্যজুড়ে পরিবর্তন যাত্রা করেছে। আর সেই পরিবর্তন যাত্রার শেষে আগামী ১৪ মার্চ ব্রিগেডে বিশাল সভার আয়োজন করছে পদ্ম শিবির। যেখানে থাকবেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
আর সেই সভার জন্যই ব্রিগেডে জোরকদমে কাজ চলছে। ব্রিগেডে দেখা গেল, চারদিকে খুঁটি পোঁতা হচ্ছে। আবার মঞ্চ তৈরির কাজও চলছে জোরকদমে। এই মঞ্চই কি খুলতে বলেছে এসপিজি? প্রশ্ন শুনে হাসলেন বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। বুঝিয়ে দিলেন, এটা মূল মঞ্চই নয়। মূল মঞ্চ যে এসপিজি-র ছাড়পত্র পেলেই তৈরি হবে, সেকথা বললেন।
যেটা তৈরি হয়েছে, সেটা মূল মঞ্চ নয়। কিছু কাঠামো তৈরি হয়েছে। তাতে কাপড় লাগানো হয়েছে। তাহলে এই কাঠামোটা কি? প্রশ্ন শুনে রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন, “ওটা হাই সিকিউরিটি জায়গা। এসপিজি আসবে। সিকিউরিটি ছাড়পত্র দেবে। তারপরই মঞ্চ তৈরি হয়। বহু জায়গায় এরকম করে রাখা হয়। তারপর এসপিজি খতিয়ে দেখার পর মঞ্চ তৈরি হয়। এটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। আর বিনা ছাড়পত্রে মঞ্চ তৈরি হয়? মঞ্চের দৈর্ঘ্য-প্রস্থ আমরা এসপিজির সঙ্গে শেয়ার করি। তারা সেগুলো দেখে ছাড়পত্র দিলেই আসল মঞ্চ বাঁধা হবে।”
তারপরই তিনি বলেন, “আমি প্রথম থেকেই জানি, এসপিজি আসবে। তারা সিকিউরিটি ছাড়পত্র দেবে। তারপর আসল মঞ্চ বাঁধা হবে।” মঞ্চ খুলে নেওয়ার বিষয়টি তাঁর জানা নেই বলে জানান। কিন্তু, প্রশ্ন উঠছে, এসপিজি-র ছাড়পত্র পাওয়ার পর কত দ্রুত মূল মঞ্চ তৈরি করা যাবে?