Dilip Ghosh: হঠাৎ কেন দরকার পড়ল, কী বলছেন দিলীপ? তৃণমূল বলছে, ‘আইসিইউ-র ডাক্তার!’
Bengal BJP: রাজনীতিতে যে এতদিন ধরেও সমান সক্রিয় থেকেছেন, সে কথাই বলেন তিনি। বলেন, "১০ বছর ধরে একই ছন্দে আছি। সবসময় যে সভা করতে হবে তা নয়। আমি সকাল থেকে রাত অবধি সক্রিয় থাকি। দলের কর্মীদের সঙ্গে কথা বলি।" যদি দল বলে ভোটে লড়তে লড়ব।

কলকাতা: এ রাজ্যে বিজেপির উত্থানের পিছনে দিলীপ ঘোষের ভূমিকার কথা আজও বলে থাকেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সমীকরণ বদলেছে। নতুন নেতাদের উপস্থিতি বেড়েছে। দূরে গিয়েছেন দিলীপ। এমনকী বৈঠকে একটা চেয়ারও দেওয়া হয়নি বলে একসময় আক্ষেপ করেছিলেন তিনি। সেই দিলীপকে বুধবার দুপুরে দেখা গেল অমিত শাহের বৈঠকে। আর বৃহস্পতিবার সকালে রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে দেখা করতে গেলেন তিনি। কেন হঠাৎ সক্রিয়তা?
TV9 বাংলার মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ বললেন, “ভোট আসছে সবাইকে কাজে লাগাতে হবে। এতদিন কাজ ছিল না। এবার কাজে নামতে হবে। বড় নেতারা সব ঠিক করবেন।” এতদিন কেন দিলীপ ঘোষকে কাজে লাগল না? এই প্রশ্নের উত্তরে প্রাক্তন সাংসদ বলেন, “আগে আমরা মাত্র কয়েকজন নেতা ছিলাম। পাঁচ বছরে অনেকে এমএলএ-এমপি হয়েছেন, অন্য দল থেকে আসা নেতারা দায়িত্ব পেয়েছেন। সবাইকে কাজ ভাগ করে দেওয়া হয়েছিল।”
তবে কোনও দায়িত্ব এখনও পর্যন্ত দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন দিলীপ। রাজনীতিতে যে এতদিন ধরেও সমান সক্রিয় থেকেছেন, সে কথাই বলেন তিনি। বলেন, “১০ বছর ধরে একই ছন্দে আছি। সবসময় যে সভা করতে হবে তা নয়। আমি সকাল থেকে রাত অবধি সক্রিয় থাকি। দলের কর্মীদের সঙ্গে কথা বলি।” যদি দল বলে ভোটে লড়তে লড়ব।
তৃণমূল মনে করছে, দিলীপের সক্রিয়তাতেও আইসিইউ থেকে বেরবে না বিজেপি। তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, একট দল মুমুর্ষু অবস্থায় আছে। আইসিইউ-তে ঢুকে গিয়েছে। বিশেষ ডাক্তারের প্রয়োজন। তাই দিলীপকে আনা হচ্ছে। কিন্তু তিনি কী করে পারবেন? তাঁর তো কোনও পোস্ট নেই। শমীক ভট্টাচার্যের হাতেও ঢাল নেই তরোয়াল নেই। বিজেপির কোনও গঠন নেই বলেই দাবি করেছেন তিনি।
