SIR in Bengal: ‘গাফিলতি দেখা গেলেই কড়া পদক্ষেপ…’, একযোগে মুখ্যসচিব-ডিজি-নগরপালকে চিঠি কমিশনের
ECI Letters to WB Police: সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া নির্দেশের কথা স্মরণ করিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশন চিঠিতে লিখেছে, সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েত, ব্লক অফিস, মহকুমা স্তরে থাকা কোনও সরকারি অফিস, শহরের ক্ষেত্রে ওয়ার্ডে-ওয়ার্ডে আয়োজন করতে হবে এসআইআর শুনানির।

কলকাতা: বাংলার ভোটার তালিকার বিশেষ পরিমার্জন পর্ব নিয়ে আরও কড়া নির্বাচন কমিশন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেই রাজ্য প্রশাসন এবং পুলিশকর্তাদের চিঠি পাঠাল কমিশন। স্মরণ করিয়ে দিল, গত ১৯ জানুয়ারি, এসআইআর শুনানি চলাকালীন সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া নির্দেশগুলি। বুধবার রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার এবং নগরপাল মনোজ ভর্মাকে চিঠি পাঠাল নির্বাচন কমিশন। তাতে ঠিক কী কী উল্লেখ করল তারা?
দুয়ারে দুয়ারে শুনানি
সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া নির্দেশের কথা স্মরণ করিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশন চিঠিতে লিখেছে, সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েত, ব্লক অফিস, মহকুমা স্তরে থাকা কোনও সরকারি অফিস, শহরের ক্ষেত্রে ওয়ার্ডে-ওয়ার্ডে আয়োজন করতে হবে এসআইআর শুনানির।
এই মর্মে বাংলার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে পর্যাপ্ত কর্মী দেওয়ার দায়িত্ব রাজ্য সরকারেরই। যাতে তাঁরা প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েত কিংবা ওয়ার্ডে আয়োজিত শুনানি কেন্দ্রে গিয়ে কমিশনের অন্য সকল কর্মীদের সহযোগিতা করতে পারে।
এই এসআইআর পর্বে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের কাঁধে বিশেষ দায়িত্ব দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের সেই নির্দেশের কথা স্মরণ করিয়ে কমিশন রাজ্যকে পাঠানো চিঠিতে লিখেছে, প্রতিটি শুনানি কেন্দ্রে পর্যাপ্ত কর্মী ও নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েনের দায়িত্ব জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের। পাশাপাশি, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে রাজ্য়ের ডিজি, নগরপাল এবং জেলাশাসকদের বাড়তি নজরদারির নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
‘অক্ষরে-অক্ষরে’ পালন করতে হবে সুপ্রিম-নির্দেশ, না হলে আরও কড়া হবে কমিশন। রাজ্য়কে পাঠানো চিঠিতে জ্ঞানেশ কুমারের দফতর সাফ জানিয়ে দিয়েছে, উপরোক্ত নির্দেশের মধ্য়ে একটি নিয়েও গাফিলতি তৈরি হয় কিংবা কোনও শুনানি কেন্দ্রে বা এসআইআর-এর কাজে বিশৃঙ্খলা, বাধা বা প্রশাসনিক গাফিলতি পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।
