Election Commission: ভিভিপ্যাটের নজরদারিতে বড় পদক্ষেপ কমিশনের, ভোটের মধ্যেই বড় নির্দেশ
Election Commission: ভোট গণনার পরে ৪৫ দিন ওই ইউনিটকে সংরক্ষণ করা হবে। পাশাপাশি, কমিশন জানিয়েছে, সিম্বল লোডিং ইউনিটকে গোলাপি পেপারে সিল করে ট্রাঙ্কে সুরক্ষিত রাখতে হবে। সিলের উপর স্বাক্ষর করবেন সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের সব প্রার্থী।

কলকাতা: ভোট জ্বরে কাবু গোটা দেশ। ইতিমধ্যেই দু’দফার নির্বাচন হয়েও গিয়েছে দেশে। এখনও বাকি ৫ দফা। এবার ভোটারদের আস্থা বাড়াতে এবার ভিভিপ্যাটের নজরদারিতে বাড়তি পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরে ভিভিপ্যাটের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে পদক্ষেপ করল কমিশন। সিম্বল লোডিং ইউনিট অর্থাৎ যার মাধ্যমে ভোটাররা কাকে ভোট দিচ্ছেন সেটা স্পষ্ট হয় ভিভিপ্যাটে। এবার সেই ইউনিটকে সংরক্ষণ করার সিদ্ধান্ত নিল কমিশন। সূত্রের খবর, সব রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও)-কে ওই মর্মে নির্দেশও দিয়ে দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে।
জানা যাচ্ছে, ভোট গণনার পরে ৪৫ দিন ওই ইউনিটকে সংরক্ষণ করা হবে। পাশাপাশি, কমিশন জানিয়েছে, সিম্বল লোডিং ইউনিটকে গোলাপি পেপারে সিল করে ট্রাঙ্কে সুরক্ষিত রাখতে হবে। সিলের উপর স্বাক্ষর করবেন সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের সব প্রার্থী। ওই সব ইউনিটকে সুরক্ষিত রাখবেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার বা জেলা মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। এই পুরো প্রক্রিয়া ভিডিয়োগ্রাফি করতে হবে।
প্রসঙ্গত, অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্র্যাটিক রিফর্মস নামে একটি সংগঠন ইভিএমের সঙ্গে সব ভিভিপ্যাট গণনার দাবি তুলে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করে। গত ২৬ এপ্রিল ওই মামলায় শীর্ষ আদালত বড় নির্দেশ দেয়। স্পষ্ট জানানো হয় ভিভিপ্যাট নিয়ে সংশয় দূর করতে সিম্বল লোডিং ইউনিটকে সংরক্ষণ করতে হবে। গণনায় দ্বিতীয় বা তৃতীয় প্রার্থী তা যাচাই করার জন্য চাইলে আবেদন করতে পারবেন।
