Food Safety: সাতসকালে রাজুদার পকেট পরোটার দোকানে হানা, বাদ গেল না শিয়ালদহের গরম সিঙারা-ঘুগনিও!
Sealdah Food Stalls: শিয়ালদহের বেশ কয়েকটি দোকানের গরম সিঙ্গারা, ঘুগনি , তৈরি করা খাবার গুণগত মান পরীক্ষা করা হয়। যেগুলির মান ঠিক ছিল না, সেগুলি ফেলে দেওয়া হয়। বিভিন্ন মশলাও কেমিক্যালে মিশিয়ে দেখা হয় যে গুণগত মান ঠিক আছে কি না।

কলকাতা: সকাল সকাল ফের কলকাতা পুরসভার খাদ্য সুরক্ষা বিভাগের অভিযান। এবার অভিযান চালানো হল শিয়ালদহ স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় থাকা খাবারের দোকানগুলিতে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল রাজুদার পকেট পরোটার দোকান থেকে শুরু করে ফুটপাথ ও ফ্লাইওভারের নীচে থাকা অন্যান্য খাবারের দোকানগুলিতে অভিযান চালানো হয়। প্রতিটি দোকান থেকে খাবারের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়।
সাধারণ মানুষ প্রতিদিন যে খাবার খাচ্ছেন, তা যেন গুণগত মানে সঠিক ও সুরক্ষিত হয়, তার জন্যই বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালাচ্ছে খাদ্য সুরক্ষা দফতর। দুর্গাপুজোর আগেও বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালানো হয়েছিল। অনেক নামকরা রেস্তোরাঁর লাইসেন্স-ও সাসপেন্ড করা হয়। কোথাও কোথাও দোকান সাময়িকভাবে বন্ধ-ও করে দেওয়া হয়।
আজ সকালে কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের ফুড সেফটি উইং-এর আধিকারিকেরা শিয়ালদহ চত্বরের বিভিন্ন খাবারের দোকানে পৌঁছে যান। সেখানে ফুড সেফটির (FSSAI)-র নিয়ম মেনে খাবার প্রস্তুত হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখেন। খাবার তৈরির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত মশলার গুণগত মান ঠিক আছে কি না, রং-কেমিক্যাল মেশানো হচ্ছে কি না, সব কিছুই যাচাই করে দেখা হয়।
বেশ কয়েকটি দোকানের গরম সিঙ্গারা, ঘুগনি , তৈরি করা খাবার গুণগত মান পরীক্ষা করা হয়। যেগুলির মান ঠিক ছিল না, সেগুলি ফেলে দেওয়া হয়। বিভিন্ন মশলাও কেমিক্যালে মিশিয়ে দেখা হয় যে গুণগত মান ঠিক আছে কি না। দোকানিদের সতর্ক করা হয় যে তারা যেন সেফটি ক্যাপ পরে খাবার তৈরি ও বিক্রি করেন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল রাজুদার পকেট পরোটার দোকানেও পৌঁছে যান ফুড সেফটি বিভাগের আধিকারিকরা। সেখানেও খাবারের গুণমান পরীক্ষা করে দেখা হয়। রাজুদা নিজেও বলেন, “এই অভিযান হওয়া দরকার। কারণ এখানে পাঁচজন পাচ রকমের মানুষ খাওয়া-দাওয়া করছেন। বিশেষ করে হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে আসা রোগী, গরিব মানুষ আসেন। এটা নিয়মিত দরকার। আমরা যত সচেতন হব, সতর্কতা অবলম্বন করব, ততই ভালো হবে।”
