AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Samik Bhattacharya: যদি বলি সমস্ত জায়গায় তোলাবাজি বন্ধ করে দিতে পেরেছি, ভুল বলছি; বিচ্যুতি আছে: শমীক

Samik Bhattacharya extortion warning: শমীক ভট্টাচার্য বলেন, "কেউ ৪ ঘণ্টার মধ্যে শাসকদলে যোগ দিয়ে ফেলেছেন। এবং আমাদের দলেরই কারও মধ্যে সুপ্ত কিছু বাসনা ছিল। যেগুলো অতৃপ্ত অবস্থায় এতদিন ছিল, সেগুলো এখন ফুটে বেরিয়েছে। সেও কারও কারও সঙ্গে যোগ দিয়েছে। এটা অস্বীকার করলে মিথ্যাচার হবে। আমরা দলের পক্ষ থেকে চেষ্টা করছি সেটাকে নিয়ন্ত্রণ করার।"

Samik Bhattacharya: যদি বলি সমস্ত জায়গায় তোলাবাজি বন্ধ করে দিতে পেরেছি, ভুল বলছি; বিচ্যুতি আছে: শমীক
কী বললেন শমীক ভট্টাচার্য?Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Aug 01, 2026 | 4:09 PM
Share

কলকাতা: তোলাবাজি নিয়ে নেতা-কর্মীদের সাবধান করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। কড়া ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দিলেন। বেঁধে দিলেন সময়ও। রাজ্য বিজেপির সভাপতি স্বীকার করলেন, তোলাবাজি এখনও পুরোপুরো বন্ধ করতে পারেননি তাঁরা। কারা এই তোলাবাজি করছেন, সেকথাও বললেন। জানিয়ে দিলেন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কড়া পদক্ষেপ করছেন। শমীকের পাশাপাশি রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী তথা রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষও তোলাবাজি নিয়ে কড়া বার্তা দিলেন। তোলাবাজি বন্ধ করতে সাধারণ মানুষকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানালেন দিলীপ।

কী বলছেন শমীক ভট্টাচার্য?

শনিবার রাজারহাটে আইআইটি খড়্গপুর রিসার্চ পার্কে ‘উদ্যমী সমাগম’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শমীক। সেখানেই তোলাবাজি বন্ধে কড়া বার্তা দিলেন। বাংলায় প্রথমবার সরকার গঠন করেছে বিজেপি। সরকারের এখনও তিন মাস হয়নি। নানা সিদ্ধান্ত নিয়েছে শুভেন্দু-সরকার। কিন্তু, তোলাবাজি পুরোপুরি বন্ধ করা যায়নি জানিয়ে এদিন শমীক বলেন, “সমস্ত কিছুর সমাধান করা যায়নি। আমি যদি আমার দলের পক্ষ থেকে দাঁড়িয়ে আপনাদের বলি, আমি সমস্ত জায়গায় তোলাবাজি বন্ধ করে দিতে পেরেছি, তাহলে ভুল বলছি। বিচ্যুতি আছে। একটা পদ্ধতির মধ্য দিয়ে মানুষ দীর্ঘদিন চলে গিয়েছে। একটা সিন্ডিকেট তৈরি হয়েছে। ক্ষমতার পট পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সমস্ত পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে, বদল হয়ে গিয়েছে, এমন নয়।”

এরপরই তিনি বলেন, “কেউ ৪ ঘণ্টার মধ্যে শাসকদলে যোগ দিয়ে ফেলেছেন। এবং আমাদের দলেরই কারও মধ্যে সুপ্ত কিছু বাসনা ছিল। যেগুলো অতৃপ্ত অবস্থায় এতদিন ছিল, সেগুলো এখন ফুটে বেরিয়েছে। সেও কারও কারও সঙ্গে যোগ দিয়েছে। এটা অস্বীকার করলে মিথ্যাচার হবে। আমরা দলের পক্ষ থেকে চেষ্টা করছি সেটাকে নিয়ন্ত্রণ করার। আমি আবারও বলছি, পুরোপুরি করতে পেরেছি, সেরকম নয়। আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী অত্যন্ত কঠোরভাবে এগুলোকে বন্ধ করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।”

বিজেপিতে যোগ দিয়ে তোলাবাজি মন্তব্য নিয়ে পরে ব্যাখ্যা দেন শমীক। বলেন, “দলের নাম নিয়ে তোলাবাজি করছেন। দলে কেউ আসেননি। আমরা গ্রহণ করিনি। আমাদের দলের নাম নিয়ে কিছু মানুষ বিভিন্ন জায়গায় তোলাবাজির চেষ্টা চালাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কঠোর হাতে প্রশাসনিক স্তরে সেটার ব্যবস্থা নিচ্ছেন। আমরাও দলের পক্ষ থেকে সাংগঠনিকভাবে যেটা করার, সেটা করছি। বিচ্যুতি দু-এক জায়গায় রয়েছে। কিন্তু, কোনও বিচ্যুতিকে দীর্ঘদিন মানা যাবে না। এই ব্যাপারে সরকারের নীতি জিরো টলারেন্স। আমরা আরও ১৫ দিন দেখছি। তারপর যেটা হবে, বুঝতে পারবেন।”

তোলাবাজি নিয়ে কড়া বার্তা দিলীপ ঘোষেরও-

শমীককে সমর্থন করে তোলাবাজি নিয়ে কড়া বার্তা দিলেন দিলীপ ঘোষও। বলেন, “এটা পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক সংস্কৃতি হয়ে উঠেছে। এই সংস্কৃতি তো রাতারাতি পরিবর্তন হয় না। আমাদের কাছেও খবর আছে। এবং এর জন্য আমি আমার পার্টির লোকেদের বিরুদ্ধেও পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি। এই সংস্কৃতি বন্ধ করা আমাদের চ্য়ালেঞ্জ। এই সংস্কৃতি বন্ধ করব। আইনশৃঙ্খলার সমস্যার সমাধান করা, তোলাবাজি-সিন্ডিকেট বন্ধ করা। এটা রাতারাতি হবে না। এটা বন্ধ করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তার জন্য একটু সময় লাগবে। সাধারণ মানুষেরও সহযোগিতা করা দরকার। তাদের কাছে আবেদন করব, সরকারি মহলে জানান, পুলিশকে জানান। চেপে যাবেন না। ভয় পাবেন না। আমরা সঙ্গে রয়েছি।”

Follow Us