Strong Room Controversy: উঁচু গার্ডরেল, ২০০ মিটারের মধ্যে প্রবেশ নিষেধ, শাখাওয়াত-ক্ষুদিরামের স্ট্রং রুমে ত্রি-স্তরীয় নিরাপত্তা
Sakhawat Memorial Strong Room Controversy: আজ সকালেই দেখা গেল ত্রি-স্তরীয় নিরাপত্তায় মুড়ে দেওয়া হয়েছে শাখওয়াতের স্ট্রং রুম। ভিতরেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নজরদারি। এদিকে, পুলিশের তরফেও পুরো এলাকা ঘিরে ফেলা হয়েছে। স্কুলের ২০০ মিটারের মধ্যে স্থানীয়দের গাড়ি ছাড়া অন্যদের প্রবেশ নিষেধ রয়েছে। ২০০ মিটারের মধ্যে ঢুকতে হলে দেখাতে হচ্ছে পরিচয় পত্র।

কলকাতা : বঙ্গে ভোট রাজনীতিতে এবার স্ট্রং-রুম বিতর্ক। গতকাল দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায়। প্রথমে ক্ষুদিরাম অনুশীলনে, তারপর শাখাওয়াত মেমোরিয়ালে। একদিকে, কুণাল-শশীর (Kunal Ghosh-Sashi Panja) ধরণা, আরেকদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) উপস্থিতি। মধ্যরাতে টানটান উত্তেজনা স্ট্রংরুমের (Strong Room Controversy) বাইরে। তৃণমূল-বিজেপি ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। আজ সকালও উত্তেজনা রয়েছে স্ট্রং রুমের বাইরে। সকালেই ক্ষুদিরামে পৌঁছন কুণাল-শশী। অন্যদিকে, বিজেপির (BJP) এজেন্টরাও উপস্থিত হয়েছেন স্ট্রং রুমের বাইরে। তবে, গতকালের ঘটনার পর থেকে স্ট্রং-রুমগুলোর নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। শাখওয়াত মেমোরিয়াল (Sakhawat Memorial) থেকে ক্ষুদিরাম অনুশীলন (Khudiram Anushilan), সর্বত্র একই ছবি।
শাখওয়াতে কড়া নজরদারি
গতকাল রাতে শাখাওয়াত মেমোরিয়ালে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইভিএম কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন। যদিও কমিশনের তরফে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। প্রায় চার ঘণ্টা ভিতরে ছিলেন। পরে বেরিয়ে এসে জানান, নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে। প্রয়োজনে নিজের নিজের ইভিএম পাহারা দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীদের। সংবাদমাধ্যমের জন্য সিসিটিভি দেখার একটা জায়গা করে দেওয়া উচিত বলেও মনে করেন তিনি। ঘটনার পর আজ সকালেই দেখা গেল ত্রি-স্তরীয় নিরাপত্তায় মুড়ে দেওয়া হয়েছে শাখওয়াতের স্ট্রং রুম। ভিতরেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নজরদারি। এদিকে, পুলিশের তরফেও পুরো এলাকা ঘিরে ফেলা হয়েছে। স্কুলের ২০০ মিটারের মধ্যে স্থানীয়দের গাড়ি ছাড়া অন্যদের প্রবেশ নিষেধ রয়েছে। ২০০ মিটারের মধ্যে ঢুকতে হলে দেখাতে হচ্ছে পরিচয় পত্র।
ক্ষুদিরাম অনুশীলনে সুউচ্চ গার্ডরেল
ক্ষুদিরাম অনুশীলনেও একই ছবি। সেখানে কলকাতার সাতটি বিধানসভার স্ট্রং রুম করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই আঁটোসাটো নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে ক্ষুদিরাম অনুশীলন। একেবারে দুর্গে পরিণত করা হয়েছে। কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে সুউচ্চ গার্ডরেল দিয়ে ঘিরে ফেলা হয় সামনের অংশ। যাতে কেউ স্ট্রং রুমের মধ্যে ঢুকতে না পারে। ভিতরে কলকাতা পুলিশের পাশাপাশি বাড়ানো হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। স্ট্রং রুমের ভিতরে যাঁরা ঢুকবেন, তাঁদের তল্লাশি করেই ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।
আজ সকালে ক্ষুদিরাম অনুশীলনে এসেছিলেন কুণাল ঘোষ ও শশী পাঁজা। অন্যদিকে, বিজেপি এজেন্টরাও স্ট্রং রুমের বাইরে রয়েছেন। তাঁদের দাবি, তাঁরা পাহারা দিচ্ছেন। যাতে তৃণমূল যে কোন মুহূর্তে যে কোনও ঘটনা ঘটাতে পারে। সেই আশঙ্কা থেকেই তাঁরা স্ট্রং রুমের বাইরে পাহারা দিচ্ছেন।
