নোলক-নাকচাবি উবে গিয়ে এল নথ, বাঙালি বিয়ের বদলে যাওয়া অলঙ্কার-ইতিবৃত্ত
History of Jewellery: কাগজের বাণ্ডিলের ভিতর থেকে তখন গুপ্তধন বের হচ্ছে এক এক করে। এমন সোনার গয়না বাপের কালে দেখেননি মিন্টুর মা। খনি থেকে যেন এক একটি রত্ন বের হচ্ছে। উঁকি মেরে দেখতে হচ্ছে। আলমারির ভিতরের এক গোপন কুঠুরিতে এতবছর ধরে এই গুপ্তধন রেখে দিয়েছিলেন কীভাবে, সেটাও ভাবাচ্ছে তাঁকে। শাশুড়িমায়ের এই সুপ্ত ইতিহাস তো কখনও শোনেননি।

বিয়ে পাকা হয়েছে অনেক আগে। এ বছরের ডিসেম্বরে পড়েছে বিয়ের তারিখ। কেনা হয়ে গিয়েছে লাল-কমলা ডুয়েল রঙের বেনারসি শাড়ি। অফ-হোয়াইট রঙের লেহেঙ্গা। তার সঙ্গে কেমন হবে অলঙ্কারের সাজ, সেটাও ঠিক করে রেখেছে মিন্টু। আগে থেকে সব কিছু গুছিয়ে রাখার অভ্যেস পেয়েছে বাবার থেকেই। কানবালা, টিকলি, চোখার, বালা, বাউটি, চুর, নাকচাবি, হার, বুক পর্যন্ত লম্বা সোনার হার, আঙুলের আংটি, পায়ের নুপূর, আঙোট, শাঁখা-পলা বাঁধানো, মাথায় লাগানো সোনার মুকুট… সব কিছু থরে থরে সাজিয়ে সুরক্ষিত রাখা হয়েছে ব্যাঙ্কের লকারে। মোবাইলে রাখা ছবিগুলি বন্ধুদের, মাসতুতো দিদি-বোনেদের দেখানোর কোনও খামতি রাখেনি মিন্টু। এমনকি ভেবে রেখেছে, বিয়ের পর নিজের ব্লগে বিয়ের গয়না নিয়ে একটা কনটেন্ট করবে। বিয়ে পাকা হতেই তোরজোড় পড়ে গিয়েছে মিন্টুদের বাড়িতে। ...
