AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Domicile Certificate: কীভাবে কোথায় আবেদন করলে মিলবে ডোমিসাইল সার্টিফিকেট?

How to Apply for Domicile Certificate: ডোমিসাইল সার্টিফিকেট বা আবাসিক শংসাপত্র হল এমন একটি সরকারি নথি যা রাজ্য স্তরে একজন ব্যক্তির নাগরিকত্ব প্রমাণ করে। এটিই কোনও ব্যক্তি যে কোনও সংশ্লিষ্ট রাজ্যের স্থায়ী বাসিন্দা বা নির্দিষ্ট করে। এই সার্টিফিকেট পেতে হলে আবেদনকারীদের অবশ্যই রাজ্যে ন্যূনতম একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বসবাস করতে হবে।

Domicile Certificate: কীভাবে কোথায় আবেদন করলে মিলবে ডোমিসাইল সার্টিফিকেট?
প্রতীকী ছবি Image Credit: ChatGPT & TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Feb 08, 2026 | 2:09 PM
Share

কলকাতা: এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হতেই ডোমিসাইল সার্টিফিকেট নিয়ে চাপানউতোরের অন্ত নেই। মাসে যেখানে ১৪০টিও ডোমিসাইল সার্টিফিকেট পেতে আবেদন পত্র জমা পড়ে না, সেখানে কলকাতা পুরসভার তথ্য বলছে গত দেড় মাসে ১৪ হাজারেরও বেশি আবেদন জমা পড়েছে। এদিকে আবার এই শংসাপত্র কোন কোন ক্ষেত্রে বৈধ তা নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশিকা দিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নয়া দিল্লি থেকে বাংলার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে যে নির্দেশ এসেছে তাতে স্পষ্ট বলা হয়েছে জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক, মহকুমা শাসক এবং কলকাতার ক্ষেত্রে কালেক্টর যে সকল শংসাপত্র দিয়েছেন, সেগুলিকেই বৈধ বলে চিহ্নিত করা হবে। কিন্তু কীভাবে করা যায় এই সার্টিফিকেটের আবেদন? কোথায় গেলে পাওয়া যায়? 

কীভাবে করবেন আবেদন? 

ডোমিসাইল সার্টিফিকেট বা আবাসিক শংসাপত্র হল এমন একটি সরকারি নথি যা রাজ্য স্তরে একজন ব্যক্তির নাগরিকত্ব প্রমাণ করে। এটিই কোনও ব্যক্তি যে কোনও সংশ্লিষ্ট রাজ্যের স্থায়ী বাসিন্দা বা নির্দিষ্ট করে। এই সার্টিফিকেট পেতে হলে আবেদনকারীদের অবশ্যই রাজ্যে ন্যূনতম একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বসবাস করতে হবে। সে ক্ষেত্রে রাজ্য ভেদে থাকার সময়কাল ৩ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে পরিবর্তিত হতে পারে। আবেদন করতে গেলে আবেদনকারীকে স্ব-ঘোষণাপত্র সহ একটি পূরণ করা স্থায়ী ঠিকানার আবেদনপত্র দিতে হবে। পরিচয়পত্র হিসাবে আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ভোটার আইডি, ড্রাইভিং লাইসেন্স, পাসপোর্টের মতো প্রামাণ্য নথি দিতে হবে। দিতে হবে জন্মের শংসাপত্র। সঙ্গে স্কুল লিভিং সার্টিফিকেট ও দু’টি পাসপোর্ট সাইজের ছবি। ঠিকানা নিশ্চিত করতে প্রামাণ্য নথি হিসাবে দিতে হবে ব্যাঙ্কের পাসবই, কোথাও ভাড়া থাকলে সেখানকার নথি,  বিদ্যুৎ, গ্যাস, ইন্টারনেট ইত্যাদির বিল।  

কোথায় করবেন আবেদন? 

যে রাজ্য থেকে আপনি আবেদন করছেন সেই রাজ্যের উপর নির্ভর করে পুরো প্রক্রিয়ার খরচ।  ১৫ টাকা থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়। কিছু রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল উত্তরপ্রদেশ এবং নয়াদিল্লির মতো কোনও ফি নেয় না। করা যায় অনলাইন ও অফলাইন আবেদন।  ই-ডিস্ট্রিক্ট ওয়েবসাইটে গিয়ে করা যায় আবেদন। অন্ধ্রপ্রদেশ এবং উত্তরপ্রদেশের মতো কিছু রাজ্যে অ্যাপও রয়েছে। এছড়াও তহসিলদার অফিস, রাজস্ব অফিস, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অফিস অথবা মহকুমা ম্যাজিস্ট্রেট, কালেক্টর বা ডেপুটি কালেক্টর অফিস, নাগরিক পরিষেবা কর্নার বা রেজিস্ট্রার বা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসেও প্রয়োজনীয় নথিগুলি নিয়ে করা যায় আবেদন।