Minakshi Mukherjee: বেনিয়মে চাকরি পেয়েছিলেন মীনাক্ষী? চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠতেই খুললেন মুখ
CPIM: 'ফুলটাইম' রাজনীতি করা মীনাক্ষীর চাকরির বিষয়টি অনেকেরই জানা নেই। দীর্ঘ সময় ধরে সিপিএমের 'হোলটাইমার' তিনি। অর্থাৎ দলের দেওয়া ৫০০০ টাকা ভাতা ছাড়া আর কিছুই পান না। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামাতেও সে কথাই উল্লেখ করেছেন তিনি।

কলকাতা: বাম আমলে ‘চিরকুটে চাকরি’ হওয়ার অভিযোগ তুলে এর আগে সরবব হয়েছন একাধিক তৃণমূল নেতা। এবার বামনেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়ের (Minakshi Mukherjee) চাকরি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি বিধায়ক দীপাঞ্জন গুহ। ২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরপাড়ার বিধায়ক সম্প্রতি প্রশ্ন তুলেছেন, ‘মীনাক্ষী আর্টসের ছাত্রী হয়ে সায়েন্সের ল্যাবরেটরিতে অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে চাকরি পেলেন কীভাবে?’
কীভাবে চাকরি পেলেন মীনাক্ষী?
‘ফুলটাইম’ রাজনীতি করা মীনাক্ষীর চাকরির বিষয়টি অনেকেরই জানা নেই। দীর্ঘ সময় ধরে সিপিএমের ‘হোলটাইমার’ তিনি। অর্থাৎ দলের দেওয়া ৫০০০ টাকা ভাতা ছাড়া আর কিছুই পান না। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামাতেও সে কথাই উল্লেখ করেছেন তিনি। তবে একসময় চাকরি করতেন তিনি। কীভাবে চাকরি পেয়েছিলেন, কেনই বা চাকরি করেছিলেন, সবটাই এবার সামনে আনলেন তিনি।
দীপাঞ্জনের অভিযোগ প্রসঙ্গে মীনাক্ষী বলেন, “আমাদের মতো যাঁরা পিওন-চাপরাশির মতো ছোট পদে কাজ করেন, তাঁদের সমস্যা ওঁরা বোঝেন না। তাই এ কথা বলেছেন।”
চাকরি সম্পর্কে মীনাক্ষী জানান, ২০০৮ সালে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন কুলটি কলেজে ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে চাকরি পান তিনি। বামনেত্রী জানান, সেই সময় তাঁর বাবা অসুস্থ থাকায়, বাড়ির বড় মেয়ে হিসেবে দেড় হাজার টাকা বেতনের ওই চাকরি করতে হয়েছিল তাঁকে।
পরে ২০১৮ সালে দলের নীতি মেনে সেই চাকরি ছেড়ে দেন মীনাক্ষী। ছেড়ে দেওয়ার সময় তাঁর বেতন বেড়ে হয়েছিল সাড়ে ৮ হাজার টাকা। কীভাবে পেলেন চাকরি? এই প্রশ্নের প্রেক্ষিতে মীনাক্ষীর উত্তর, কাগজে বিজ্ঞাপন বেরিয়েছিল, সেটা দেখে আবেদন করেই চাকরি পেয়েছিলেন। আর মীনাক্ষী মনে করিয়ে দিয়েছেন, ভূগোলের ল্যাবরেটরিতে চাকরি করতেন তিনি, যা আদতে আর্টস (কলা বিভাগ)-এর একটি বিষয়।পরবর্তীতে দলের নীতি মেনে, হোলটাইমার হিসেবে চাকরি ছেড়ে দেন তিনি। আপাতত কোনও চাকরি করেন না মীনাক্ষী।
মীনাক্ষীর শিক্ষাগত যোগ্যতা
স্কুলের পাঠ শেষ করে রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে আসানসোলের বিবি কলেজে ভর্তি হন মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। ২০০৫ সালে সালে স্নাতক উত্তীর্ণ হন। এরপর বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানেই স্নাতকোত্তর উত্তীর্ণ হন সিপিএম নেত্রী। ২০১০ সালে বিএড উত্তীর্ণ হন।
