Bratya Basu: ‘কীভাবে ১৭৭ আসনের কথা বলে দিতে পারলেন শুভেন্দু? তবে কী….’, তড়িঘড়ি সাংবাদিক বৈঠকে কোন সম্ভাবনার কথা বললেন ব্রাত্য?
Bratya Basu: কিন্তু কীভাবে এই সমীকরণ শুভেন্দুর? তার ব্যাখ্যা দিতে গিয়েই ভোটার তালিকা সংশোধনের বিষয়টি খাড়া করেন করেন। আবার উঠে আসে ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ আর ডিনারের তত্ত্ব। তাঁর কথায়, “প্রথম রাউন্ড ব্রেকফাস্ট। তাতে গিয়েছে ৫৮ লক্ষ। লাঞ্চে গিয়েছে ৭ লক্ষ। এখনও ডিনার হয়নি।” উল্লেখ্য, গত সোমবার প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশিত হয়। ৬০ লক্ষ নাম ছিল বিচারাধীন তালিকায়।

কলকাতা: এবার আর ২০০ পার করার কথা এবার, একদম হিসাব কষে ১৭৭+ আসন বিজেপি পাবে, তা অঙ্ক কষে বুঝিয়ে দিয়েছেন নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু কীভাবে তিনি ভোট হওয়ার আগেই এই সংখ্যা বলে দিতে পারেন, এবার প্রশ্ন তুলল তৃণমূল। সাংবাদিক বৈঠক করে ব্রাত্য বসু বলেন, “নির্দিষ্টভাবে ১৭৭ কীভাবে বলছেন শুভেন্দু?” ব্রাত্যর খোঁচা, “তবে কি ইভিএম হ্যাক করার পরিকল্পনা হয়ে গিয়েছে? আমরা সম্ভাবনা উড়িয়ে দিতে পারছি না।”
বুধবার অখিল গিরির বিধানসভা এলাকা রামনগরে বিজেপি প্রার্থী চন্দ্র শেখর মন্ডলের সমর্থনে কর্মিসভা করেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই শুভেন্দু চ্যালেঞ্জ করেন, ২০১৬-তে ৩, ২০২১-এ ৭৭, এবারে ১৭৭-এর নীচে নামবে না। ভোটারদের উদ্দেশে শুভেন্দুর সমীকরণ, “২০১৬ এবং ২০২১ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী মার্জিন কত করবেন সেটা আপনারা ঠিক করবেন, কত বাড়াবেন।”
কিন্তু কীভাবে এই সমীকরণ শুভেন্দুর? তার ব্যাখ্যা দিতে গিয়েই ভোটার তালিকা সংশোধনের বিষয়টি খাড়া করেন করেন। আবার উঠে আসে ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ আর ডিনারের তত্ত্ব। তাঁর কথায়, “প্রথম রাউন্ড ব্রেকফাস্ট। তাতে গিয়েছে ৫৮ লক্ষ। লাঞ্চে গিয়েছে ৭ লক্ষ। এখনও ডিনার হয়নি।” উল্লেখ্য, গত সোমবার প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশিত হয়। ৬০ লক্ষ নাম ছিল বিচারাধীন তালিকায়। নামগুলি খতিয়ে দেখেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। এখনও পর্যন্ত ৩২ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি হয়েছে। তার মধ্যে ৪০ শতাংশ বাদ পড়েছে। অর্থাৎ নতুন করে ১৩ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। অর্থাৎ এখনও পর্যন্ত প্রায় ৭৬-৭৭ লক্ষের নাম বাদ গিয়েছে। বিজেপির বক্তব্য, এইসবের মধ্যেই ছিল বহু ভূতুড়ে ভোটার। সেই সব নাম বাদ করলে শুভেন্দুর কথামতো, ‘সমাজদার কে লিয়ে ইশারা হি কাফি হ্যয়!’
