CJP Protest in Kolkata: ‘কারা কী করল কিছুই বুঝতে পারছি না’, ধর্মতলায় ছাত্রদের বেশে কারা ঢুকে পড়ল মিছিলে?
Kolkata Student Protest: অন্যদিকে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার বিরুদ্ধে এখনও অনড় ককরোচ জনতা পার্টি। যদিও ২৬ দিন পর অনশন ভেঙেছেন সোনাম ওয়াংচুক। ককরোচ জনতা পার্টির জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রানকা বলেন, সরকার তাদের দুটি দাবি মানতে রাজি হয়েছে।

কলকাতা: নিট প্রশ্নফাঁসে উত্তাল দেশ। বিশাল মিছিলের ছবি দেখা গেল কলকাতাতেও। সন্ধ্যের ব্যস্ত ধর্মতলায় ধুন্ধুমার। একেবারে তুলকালাম পরিস্থিতি। বিক্ষোভ হটাতে লাঠি উঁচিয়ে তাড়া পুলিশের। পাল্টা পুলিশের দিকেও আন্দোলনকারীদের তরফে উড়ে গেল বোতল। একজন আন্দোলনকারী তো মিছিলের মাঝেই বললেন, “কারা কী করল কিছুই বুঝতে পারছি না। আমরা তো ছাত্র, আমাদের হাতে লাঠিও নেই। কিছুই নেই। আমরা তো শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করছিলান। কিন্তু ছাত্রদের বেশে কারা এসে আমাদের পুরো প্রতিবাদকে খারাপ করছে।”
সময় যত গড়াতে থাকে ততই বাড়তে থাকে আন্দোলনের বহর। পরিস্থিতি সামলাতে রীতিমতো হিমশিম থেকে থাকে পুলিশ। এদিন সকাল থেকেই কার্যত পিলপিল করে ছাত্রদের আসতে দেখা যায় শিয়ালদহ থেকে। মাঠে নামে একের পর এক বাম ছাত্র সংগঠন। মিছিলে দেখা যায় ককরোচ জনতা পার্টির বিশাল বিশাল পোস্টারও। এই মিছিল দেখে অনেকেই অতীতের হোক কলরবের পাশাপাসি সিএএ-এনআরসি বিরোধী আন্দলোনের ছবি-র কথা মনে করছেন। মিছিলে অংশ নিতে দেখা যায় বামেদের ৮ ছাত্র সংগঠনকে। এদিন বড় মিছিল করতে দেখা গিয়েছে কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠন ছাত্র পরিষদকেও। অন্যদিকে বেচাল দেখলেই যে কড়া অ্যাকশন তা আগেই বলেই দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
অন্যদিকে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার বিরুদ্ধে এখনও অনড় ককরোচ জনতা পার্টি। যদিও ২৬ দিন পর অনশন ভেঙেছেন সোনাম ওয়াংচুক। ককরোচ জনতা পার্টির জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রানকা বলেন, সরকার তাদের দুটি দাবি মানতে রাজি হয়েছে। কিন্তু ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য শনিবার দুপুর অবধি সময় চাওয়া হয়েছে।
