Bangladesh President Resigns: বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পদ থেকে ইস্তফা দিলেন সাহাবুদ্দিন, এখন দেশ কে সামলাবেন?
Bangladesh News: বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি দিলেন ইস্তফা। আজ, শুক্রবার রাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগ পত্র জমা দেন মহম্মদ সাহাবুদ্দিন। ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন ও হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই রাষ্ট্রপতির ইস্তফার দাবি করা হচ্ছিল। তখন ইস্তফা না দিলেও, আজ ইস্তফা দিলেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন।

ঢাকা: বাংলাদেশে আবার পট পরিবর্তন। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি দিলেন ইস্তফা (Bangladesh President Resigns)। আজ, শুক্রবার রাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগ পত্র জমা দেন মহম্মদ সাহাবুদ্দিন। ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন ও হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই রাষ্ট্রপতির ইস্তফার দাবি করা হচ্ছিল। তখন ইস্তফা না দিলেও, আজ হঠাৎ ইস্তফা দিলেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন।
আজ রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহাবুদ্দিন ইস্তফা দেন। তাঁর ইস্তফা গ্রহণ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি হঠাৎ ইস্তফা দেওয়ায় বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। যেহেতু সংসদে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা, তাই তাদের মনোনীত ব্যক্তিই বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হবেন। সূত্রের খবর, বিগত কয়েকদিন ধরেই রাষ্ট্রপতির ইস্তফা নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল। তাঁর বিদায়ের প্রস্তুতিও নিতে বলা হয়েছিল। এদিকে, সাহাবুদ্দিনের উত্তরসূরি হিসেবে কাকে মনোনীত করা হবে, তা নিয়ে বিগত কয়েকদিন ধরেই বিএনপির শীর্ষ স্তরে আলোচনা হচ্ছে। এমনটাই সূত্রের খবর।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকাকালীন, ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি করা হয় মহম্মদ সাহাবুদ্দিনকে। ২০২৮ সালের এপ্রিলে তাঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। তবে তার প্রায় দুই বছর আগেই রাষ্ট্রপতি পদ থেকে ইস্তফা দিলেন মহম্মদ সাহাবুদ্দিন।
যখন হাসিনা সরকারের পতন হয়েছিল, তখন রাষ্ট্রপতিরও ইস্তফা দাবি করা হয়েছিল। রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবিতে বঙ্গভবন ঘেরাও করা হয়। তিনিই মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দায়িত্ব সামলেছেন। এরপরে জাতীয় নির্বাচন ও নতুন সরকার গঠনের সময়ও দায়িত্ব পালন করেন।
জানা গিয়েছে, গুরুতর অসুস্থতার কারণ দেখিয়েই ইস্তফা দিয়েছেন সাহাবুদ্দিন। তিনি ইস্তফাপত্রে লিখেছেন, ” আমি হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতায় ভুগছি। আমার বাইপাস সার্জারি হয়েছে। ইদানীং স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অটোনোমিক নিউরোপ্যাথি (Autonomic Neuropathy) নামক রোগ শনাক্ত হয়েছে। এই রোগের কারণে আমি মাঝেমধ্যে কিছুক্ষণের জন্য অচেতন হয়ে যাই। রোগের প্রাদুর্ভাবে শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যতার কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। আমার দীর্ঘ মেয়াদে চিকিৎসা প্রয়োজন।”
