AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Humayun Kabir: ‘আমি কাটার কথা বলিনি দাদা’, ক্ষমা চেয়েও ফের ব্যাখ্যা দিলেন হুমায়ুন

Humayun Kabir in Debate: যদিও হুমায়ুন মনে করেন যোগী আদিত্যনাথের মতো নেতা তাঁর মতো জেলার নেতাকে টার্গেট করে আদপে তাঁকেই জাতীয় পরিচিতি দিয়ে দিয়েছেন। ভরতপুরের বিদ্রোহী নেতার সাফ কথা, “আজ তো আমি ন্যাশনাল ফিগার হয়েছে। বিখ্যাত-কুখ্যাত দুটো হলেই সমাজে দাগ কাটে।”

Humayun Kabir: ‘আমি কাটার কথা বলিনি দাদা’, ক্ষমা চেয়েও ফের ব্যাখ্যা দিলেন হুমায়ুন
টিভি৯ বাংলায় হুমায়ুন কবীরImage Credit: TV 9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Feb 17, 2026 | 9:34 PM
Share

কলকাতা: রেজিনগরের ভরা সভাতে প্রকাশ্যেই ক্ষমা চেয়েছিলেন। এবার ফে টিভি৯ বাংলার ম্যানেজিং এডিটর অমৃতাংশু ভট্টাচার্যের সঙ্গে বিশেষ সাক্ষাৎকারেও আরও একবার ‘ভাগীরথী’ মন্তব্যে ক্ষমাই চাইতে দেখা গেল ভরতপুরের বিদ্রোহী বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে। খানিক অনুতাপের সুরেই বললেন, ‘আমি কাটার কথা বলিনি দাদা।’ কোন প্রেক্ষাপটে ঠিক কী বলেছিলেন তার ব্যাখ্যাও দিলেন। একইসঙ্গে তোপের পর তোপ দাগলেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের বিরুদ্ধেও। সুর চড়ালেন রাজ্য়ের আইন-শৃঙ্খলা, নিয়ন্ত্রণ নিয়েও। 

ভাগীরথী মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে খানিক পুরনো কথা টেনেই বললেন, “রাম নবমীকে কেন্দ্র করে যখন ১৭ এপ্রিল গোষ্ঠী সংঘর্ষ হল, তখন চার থেকে পাঁচ দিন নেট অফ থাকল। বহরমপুর, বেলডাঙা, রেজিনগর, শক্তিপুর তখন ১৪৪ ধারা জারি। তারপর কোন যুক্তিতে মুর্শিদাবাদের জেলাশাসক উত্তর প্রদেশের মতো রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে যে শক্তিপুরে উত্তেজনা ছড়াল সেখানকার ৫০০ মিটারের মধ্যে হেলিকপ্টার নামতে দিলেন? ঘটনার ১৩ দিনের মাথায় ৩০ এপ্রিল এটা হল। নির্মল সাহার জন্য যদি যোগীজিকে প্রচার করতেই আসতে হয় তাহলে কেন কান্দিতে হল না? কেন বহরমপুরে হল না, বেলডাঙা, নওদায় হল না? উল্টে সেই শক্তিপুরে আমার নাম না করে বললেন, আমাকে উল্টো করে টাঙিয়ে সিঁধে করে দিতেন।”

হুমায়ুনের দাবি, মুর্শিদাবাদের মতো মুসলিম অধ্যুষিত জেলায় ভোট ব্যাঙ্ক ধরে রাখার জন্যই তিনি ওই বিতর্কিত মন্তব্য করতে বাধ্য হয়েছিলেন। এদিন টিভি৯ বাংলার ম্যানেজিং এডিটর অমৃতাংশু ভট্টাচার্যের সঙ্গে বিশেষ সাক্ষাৎকারেই বলেন, “আমি বলেছিলাম এটা ইউপি নয়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আপনি যে সম্প্রদায়কে নিয়ে হুঙ্কার দিচ্ছেন আপনি ৩০ শতাংশ। আমরা ৭০ শতাংশ। আপনি যদি উল্টো করে টাঙিয়ে আমাকে সিঁধে করতে পারেন তাহলে আমি হুমায়ুন কবীর আপনার এই সম্প্রদায়কে ভাগীরথীতে ঝাঁপ দেওয়াতে পারি। আমি কাটার কথা বলিনি দাদা। এটা যদি আমার বলা ভুল হয়ে থাকে, অপরাধ হয়ে থাকে তার জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমাও চেয়ে নিয়েছি।” 

যদিও হুমায়ুন মনে করেন যোগী আদিত্যনাথের মতো নেতা তাঁর মতো জেলার নেতাকে টার্গেট করে আদপে তাঁকেই জাতীয় পরিচিতি দিয়ে দিয়েছেন। ভরতপুরের বিদ্রোহী নেতার সাফ কথা, “আজ তো আমি ন্যাশনাল ফিগার হয়েছে। বিখ্যাত-কুখ্যাত দুটো হলেই সমাজে দাগ কাটে। নিজের যোগ্যতায় বিখ্যাত হলেও একটা মনে সন্তুষ্টি আসে। উল্টে কোনও কারণে কুখ্যাত হলেও একটা দাগ কাটে।”