Indian Navy: শক্তি বাড়ল ভারতীয় নৌসেনার, হুগলি নদীতে নামল পঞ্চম ডাইভিং সাপোর্ট ক্রাফ্ট
Indian Navy DSC A24 launch: এই প্রকল্পের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক হল, জাহাজগুলির প্রধান ও সহায়ক যন্ত্রাংশের প্রায় ৭০ শতাংশই দেশীয়। ফলে এটি শুধু ভারতীয় নৌবাহিনীর প্রযুক্তিগত শক্তি বৃদ্ধি করছে না, একই সঙ্গে কেন্দ্রের 'আত্মনির্ভর ভারত' এবং 'মেক ইন ইন্ডিয়া' উদ্যোগকেও আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

কলকাতা: ভারতীয় নৌবাহিনীর অপারেশনাল ক্ষমতা আরও জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। শনিবার কলকাতায় হুগলি নদীতে জলে নামানো হল ডাইভিং সাপোর্ট ক্রাফ্ট (DSC) প্রকল্পের পঞ্চম জাহাজ ‘DSC A24’। নৌবাহিনীর ঐতিহ্য মেনে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে জাহাজটির উদ্বোধন করেন ভাইস অ্যাডমিরাল গুরচরণ সিংয়ের স্ত্রী কমল সিং। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় নৌবাহিনীর চিফ অব পার্সোনেল ভাইস অ্যাডমিরাল গুরচরণ সিং, নৌবাহিনীর শীর্ষ আধিকারিকরা এবং টিটাগড় রেল সিস্টেমস লিমিটেড (TRSL)-এর প্রতিনিধিরা।
এই ডাইভিং সাপোর্ট ক্রাফ্টগুলির নির্মাণের দায়িত্বে রয়েছে কলকাতার টিটাগড় রেল সিস্টেমস লিমিটেড। আধুনিক ক্যাটামারান-হাল নকশায় তৈরি জাহাজগুলির স্থানচ্যুতি প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ টন। এই বিশেষ নকশার ফলে জাহাজে অধিক স্থিতিশীলতা, বড় ডেক এলাকা এবং উত্তাল সমুদ্রেও উন্নত কর্মক্ষমতা নিশ্চিত হয়। ফলে ডাইভিং, জলের নীচে প্রযুক্তিগত পরিদর্শন, উদ্ধার অভিযান এবং অন্যান্য বিশেষ নৌ-অভিযানে এই জাহাজগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
জাহাজগুলি ইন্ডিয়ান রেজিস্টার অব শিপিং (IRS)-এর নৌ-নিয়ম ও মানদণ্ড অনুসারে নকশা ও নির্মাণ করা হয়েছে। ভারতীয় নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর এগুলি ডাইভিং সাপোর্ট, জলের নীচে পরিদর্শন, উদ্ধারকাজ এবং উপকূলীয় নিরাপত্তা অভিযানে নৌবাহিনীর ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই প্রকল্পের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক হল, জাহাজগুলির প্রধান ও সহায়ক যন্ত্রাংশের প্রায় ৭০ শতাংশই দেশীয়। ফলে এটি শুধু ভারতীয় নৌবাহিনীর প্রযুক্তিগত শক্তি বৃদ্ধি করছে না, একই সঙ্গে কেন্দ্রের ‘আত্মনির্ভর ভারত’ এবং ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগকেও আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
দেশীয় প্রযুক্তি, আধুনিক নকশা এবং স্বনির্ভর উৎপাদনের সমন্বয়ে তৈরি এই ডাইভিং সাপোর্ট ক্রাফ্ট ভারতীয় নৌবাহিনীর ভবিষ্যৎ সামুদ্রিক অভিযান ও উদ্ধার ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
