AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Indranil Sen Tender Scam: সরকারি টেন্ডার থেকেও ইন্দ্রনীলের অ্যাকাউন্টে ১ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা! বিস্ফোরক তথ্য

Indranil Sen Tender Scam: ইন্দ্রনীলের মন্ত্রিত্বকালে তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর থেকে প্রায় ৫৩.৪৬ কোটি টাকার ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের টেন্ডার দেওয়া হয় ‘GIDI Creation’ নামক একটি সংস্থাকে, যার মালিক ছিলেন ইন্দ্রনীলের এক বাল্যবন্ধু। অভিযোগ, সংস্থালব্ধ অভিজ্ঞতার কোনও প্রমাণ না থাকা সত্ত্বেও তারা সরকারি মেলা ও উৎসবের চুক্তি পেত।

Indranil Sen Tender Scam: সরকারি টেন্ডার থেকেও ইন্দ্রনীলের অ্যাকাউন্টে ১ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা! বিস্ফোরক তথ্য
ইন্দ্রনীল সেনImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Oct 29, 2026 | 12:32 PM
Share

কলকাতা: দুর্গাপুজোর পাস বিক্রির পর এবার তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের কোটি কোটি টাকার সরকারি টেন্ডার দুর্নীতি! প্রাক্তন প্রতিমন্ত্রী তথা গায়ক ইন্দ্রনীল সেনের বিরুদ্ধে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।

পুলিশ সূত্রে খবর, ইন্দ্রনীলের মন্ত্রিত্বকালে তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর থেকে প্রায় ৫৩.৪৬ কোটি টাকার ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের টেন্ডার দেওয়া হয় ‘GIDI Creation’ নামক একটি সংস্থাকে, যার মালিক ছিলেন ইন্দ্রনীলের এক বাল্যবন্ধু। অভিযোগ, সংস্থালব্ধ অভিজ্ঞতার কোনও প্রমাণ না থাকা সত্ত্বেও তারা সরকারি মেলা ও উৎসবের চুক্তি পেত। টেন্ডার পাওয়ার পর ‘GIDI Creation’ সেই কাজের দায়িত্ব হস্তান্তরিত করে ‘Third Line Creation’ নামে অপর একটি সংস্থাকে (যা বর্তমানে বন্ধ), এবং তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠায় ৫০.৩১ কোটি টাকা।

 এই হাতবদল হওয়া কোটি কোটি টাকার একটি বিশাল অংশ ঘুরে পৌঁছেছে ইন্দ্রনীল সেন ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের পকেটে:

  • ইন্দ্রনীল সেনের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট: ‘Third Line Creation’ থেকে সরাসরি ১২৮ লক্ষ টাকা জমা হয়েছে প্রাক্তন প্রতিমন্ত্রীর অ্যাকাউন্টে।

  • ইন্দ্রনীলের স্ত্রী ও সংস্থায়: ‘GIDI Creation’ থেকে ৪.৫ লক্ষ টাকা এবং ‘Third Line Creation’ থেকে ৬৬ লক্ষ টাকা গচ্ছিত রাখা হয়েছে ‘Mass Art Society’-তে। ইউনেস্কোর নামে পুজোর পাস বিক্রি করা এই সংস্থার সভাপতি ইন্দ্রনীলের স্ত্রী।

  • ইন্দ্রনীলের কন্যা: ‘Third Line Creation’ থেকে ২২ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকা স্থানান্তর করা হয়েছে তাঁর কন্যার দুটি সংস্থা—’ISCAPE’ ও ‘Myra’-র অ্যাকাউন্টে।

তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের এই বিশাল অঙ্কের টেন্ডার বরাদ্দের সময় পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী। স্বভাবতই, দুর্নীতি ও অবৈধ লেনদেনের এই শিকড় প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় শুরু হয়েছে এবং প্রশাসনিক মহলে অস্বস্তি বৃদ্ধি পেয়েছে। পুলিশ ও তদন্তকারী সংস্থা পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে জোর তদন্ত শুরু করেছে।

Follow Us