AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Mamata Banerjee’s house: বিয়েতে মমতার দেওয়া সোনা ফেরাতে কালীঘাটে গেলেন কাকলির ছেলে, পরে কী অভিজ্ঞতা হল জানালেন নিজেই

Kakali Ghosh Dastidar: এই অবস্থার মধ্যেই একদিন বৈদ্যনাথ জানালেন, বারাসত বিধানসভা কেন্দ্রের টিকিট চাওয়া এবং পরিবারকে নিয়ে ব্যক্তিগত কুৎসা করেছেন মমতা-কল্যাণরা। তারপরই আইনি নোটিস ও বিয়েতে মমতার থেকে পাওয়া উপহার ফেরতের প্রসঙ্গ তোলেন। সেই মতোই বুধবার গিয়েছিলেন। তবে, উপহার না ফিরিয়েই চলে আসতে হল কাকলির ছেলেকে।

Mamata Banerjee's house: বিয়েতে মমতার দেওয়া সোনা ফেরাতে কালীঘাটে গেলেন কাকলির ছেলে, পরে কী অভিজ্ঞতা হল জানালেন নিজেই
মমতার দেওয়া উপহার ফেরতImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jun 18, 2026 | 7:00 AM
Share

কলকাতা: তাঁর মা এখন দলের বিরুদ্ধে বিক্ষুব্ধ। যোগ দিয়েছেন NCPI-তে। আর ছাব্বিশের ভোটের ফলাফলের পর থেকে ধীরে-ধীরে মুখে খুলেছেন তিনিও। কথা হচ্ছে কাকলী ঘোষ দস্তিদারের পুত্র বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদারকে নিয়ে। পালা বদলের পর থেকে অল্প-বিস্তর বৈদ্যনাথকেও দেখা যাচ্ছে রাজনীতি নিয়ে মুখ খুলতে। কখনও তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আইনি নোটিস পাঠাচ্ছেন, কখনও আবার তীর্যক আক্রমণ করছে তৃণমূলকে। আর সম্প্রতি,মমতার দেওয়া বিয়ের উপহার ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলে খবরে এসেছেন। বুধবার সন্ধ্যায় বিয়েতে পাওয়া সোনা ও উপহার ফিরিয়ে দিতে গিয়েছিলেন মমতার কালীঘাটের বাসভবনে। তবে তা কেউ গ্রহণ করেননি বলে দাবি কাকলিপুত্রের।

এ দিন বৈদ্যনাথ অভিযোগ করে জানিয়েছেন, তিনি কোনও রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন। একজন সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তা সত্ত্বেও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়,সোনালী গুহ, মহুয়া মৈত্র এবং সৌগত রায়ের মতো প্রবীণ রাজনীতিবিদরা জনসমক্ষে তাঁকে চরমভাবে অপমানিত ও হেনস্থা করেছেন। তিনি বলেন, “যে আশীর্বাদের পেছনে আর কোনও ভালোবাসা,স্নেহ,আন্তরিকতা বা শুভেচ্ছা অবশিষ্ট থাকে না—সেই উপহার বা আশীর্বাদ বয়ে বেড়ানোর কোনও অর্থ হয় না। সম্মান ও সৌজন্য যেখানে হারিয়ে যায়,সেখানে উপহারের মূল্যও শেষ হয়ে যায়।”

বৈদ্যনাথের বক্তব্য, এই ভুল বোঝাবুঝি ও বিভ্রান্তির অবসান ঘটাতেই তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে একটি চিঠিও লিখে নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের নিরাপত্তা কর্মী এবং অফিসের কর্মীরা তাঁর সেই চিঠি কিংবা উপহারের বাক্স কোনওটিই গ্রহণ করেননি।

বৈদ্যনাথ পেশায় একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ। রাজনীতিতে তিনি মোটেই সক্রিয় ছিলেন না। তবে, প্রথম সংবাদে আসেন- পালা বদলের পর মহম্মদ সেলিম ও সিপিএম-এর ভূয়সী প্রশংসা করে। সেই সময় বৈদ্যনাথ একটি ঘটনার প্রতিবাদ প্রসঙ্গে বলেছিলেন, তৃণমূলের এত জন বিধায়ক থাকার পরও তাঁরা উধাও অথচ একজন বিধায়ক নিয়ে সিপিএম লড়ে যাচ্ছে। এরপর নদী থেকে বয়ে গিয়েছে অনেক জল। ইতিমধ্যেই তাঁর মা কাকলী ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে ১৯ জন সাংসদ বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীতে নাম লিখিয়েছেন। এই অবস্থার মধ্যেই একদিন বৈদ্যনাথ জানালেন, বারাসত বিধানসভা কেন্দ্রের টিকিট চাওয়া এবং পরিবারকে নিয়ে ব্যক্তিগত কুৎসা করেছেন মমতা-কল্যাণরা। তারপরই আইনি নোটিস ও বিয়েতে মমতার থেকে পাওয়া উপহার ফেরতের প্রসঙ্গ তোলেন। সেই মতোই বুধবার গিয়েছিলেন। তবে, উপহার না ফিরিয়েই চলে আসতে হল কাকলির ছেলেকে।

Follow Us