AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Kolkata Hotel Fire: তিনটে ঘর হয়ে গেল ছ’টা! পুরসভা এসে ভেঙেও দিয়েছিল, তাও কীভাবে পাশের বাড়ির একাংশ দখল করে হোটেল বাড়ল তরতরিয়ে?

illegal hotel construction: বর্তমানে যে হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, তার মালিক মূল বাড়ির মালিকের কাছ থেকে প্রথমে তিনটি ঘর লিজ নিয়েছিলেন।অভিযোগ, সেই তিনটি ঘর ভেঙে পরবর্তীকালে ছয়টি ঘরে পরিণত করা হয়। এভাবেই ধাপে ধাপে হোটেল ব্যবসার পরিসর বাড়তে থাকে এবং বেআইনি সম্প্রসারণ ফুলে-ফেঁপে ওঠে।

Kolkata Hotel Fire: তিনটে ঘর হয়ে গেল ছ'টা! পুরসভা এসে ভেঙেও দিয়েছিল, তাও কীভাবে পাশের বাড়ির একাংশ দখল করে হোটেল বাড়ল তরতরিয়ে?
মির্জা গালিব স্ট্রিটের এই হোটেল গজিয়ে উঠেছিল বেআইনিভাবে। Image Credit: TV9 বাংলা
| Edited By: | Updated on: Aug 19, 2026 | 8:19 PM
Share

কলকাতা: যতুগৃহ কলকাতা। মধ্য রাতে মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি হোটেলে আগুন লাগে। অগ্নিকাণ্ডের পর সামনে এসেছে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার বেহাল ছবি। হোটেলের ঘরের ভিতরে ঘর! বেরনোর পথ সরু। ইমার্জেন্সি এক্সিট-ও নেই বললেই চলে। এই কারণেই ‘শিখা ইন’ হোটেলের অগ্নিকাণ্ডে নয়জনের মৃত্যু হয়। যে বহুতলে বেআইনিভাবে একের পর এক হোটেল ব্যবসা চলছিল, সেই বহুতলের হোটেল সম্প্রসারণের চাঞ্চল্যকর ছবি এবার প্রকাশ্যে এল। পার্শ্ববর্তী বাড়ির একাংশ দখল করে কীভাবে হোটেলের সম্প্রসারণ করা হয়েছিল, TV9 বাংলার ক্যামেরায় ধরা পড়েছে সেই ছবি।

মির্জা গালিব স্ট্রিটে একটি বহুতল। তার মধ্যে ঝুলছে একাধিক হোটেলের বোর্ড। মোট ছয়টি হোটেল রয়েছে একটি বিল্ডিংয়ে। ফলে অত্যন্ত ঘিঞ্জি অবস্থা। তার মধ্যে আবার হোটেল সম্প্রসারণ করা হয়েছিল বেআইনিভাবে।এলাকাবাসীর দাবি, ২০১৩ সাল থেকে শুরু হয়েছিল এই বেআইনি সম্প্রসারণের কাজ। প্রায় এক দশক ধরে ধাপে ধাপে চলার পর ২০২৩ সালে সম্প্রসারণের কাজ শেষ হয়। সম্প্রসারিত হোটেলের একটি অংশ সরাসরি পার্শ্ববর্তী বাড়ির সঙ্গে গিয়ে যুক্ত হয়েছে! কীভাবে এই নির্মাণ সম্ভব হল, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।

এলাকাবাসী সূত্রে দাবি, ২০২০ সালে কলকাতা পুরসভা এক দফায় অভিযান চালিয়ে বেআইনি অংশ ভেঙে দিয়েছিল। তবে অভিযোগ, পুরসভার অভিযানের পর ফের নজরের আড়ালে বেআইনি নির্মাণ শুরু হয় এবং ধীরে ধীরে হোটেলের পরিসর বাড়তে থাকে।

বর্তমানে যে হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, তার মালিক মূল বাড়ির মালিকের কাছ থেকে প্রথমে তিনটি ঘর লিজ নিয়েছিলেন।অভিযোগ, সেই তিনটি ঘর ভেঙে পরবর্তীকালে ছয়টি ঘরে পরিণত করা হয়। এভাবেই ধাপে ধাপে হোটেল ব্যবসার পরিসর বাড়তে থাকে এবং বেআইনি সম্প্রসারণ ফুলে-ফেঁপে ওঠে।

আবাসনের অন্যতম মালিক পঙ্কজ মজুমদার। যাঁর বাড়ির ছাদের উপর বেআইনি অংশ চলে এসেছে। তিনি বলেন, “অভিযোগ তো করেছিলাম। আসলাম ভাই-ও কমপ্লেন করেছেন। পুলিশ এসে একবার ভেঙেও দিয়ে গেল। তারপরও উনি কোনও কথা শোনেননি। উপরে দোতলা বাড়িয়ে নিয়েছেন। শেষ তলাটা ২০২৩ সালে হয়েছে। আমাদের বিল্ডিংয়ের সঙ্গে লেগেই গিয়েছে। মাত্র চার আঙুল বাকি আছে।”

২০১৩ থেকে ২০২৩—দশ বছর ধরে কীভাবে এই সম্প্রসারণ চলল, পুরসভার নজরদারি কোথায় ছিল, এবং ২০২০ সালে ভাঙার পর ফের কীভাবে নির্মাণ হল—তা নিয়েই এখন বড় প্রশ্ন। অগ্নিকাণ্ডের পর সামনে আসা এই ছবি কার্যত সেই বেআইনি সম্প্রসারণের গোটা চিত্রকে প্রকাশ্যে নিয়ে এল।

Follow Us