কলকাতা পুড়ছে, পুড়বে…
Tremendous Heatwave: গরমকালে গরম পড়বেই। কিন্তু এপ্রিলের গোড়াতেই যে গরম পড়েছিল, তার অশনিসঙ্কেত আগেই দিয়ে রেখেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। ৫০ বছরের রেকর্ড ভেঙে কলকাতায় তাপমাত্রা ছাড়িয়েছিল ৪৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড। তড়িঘড়ি স্কুলকলেজ ছুটি দিয়ে পড়ুয়াদের স্বস্তি দেওয়ার চেষ্টা ঘোষণা করেছিল সরকার। কলকাতায় কেন এত গরম বাড়ছে, বৃষ্টির তো দেখা নেই, ভ্যাপসা গরম পড়লেই যে কালবৈশাখীর আভাস পাওয়া যেত, তারও দেখা মিলছে না কেন... এমন শত শত প্রশ্ন আমজনতার। সরকার-প্রশাসনকে দোষ ঢেলে মানুষ রোজ নিজের স্বার্থে প্রকৃতিকে ধ্বংস করছে।

‘কোল্ড ড্রিঙ্কস বা আইসক্রিমের একটা দোকান দেখতে পেলে একটু দাঁড়িয়ে যেও, ভাই। আর তো পারা যাচ্ছে না!’ ঘামে ভিজে গিয়েছে রুমাল। সেই রুমাল দিয়ে আরও একবার মুখ মুছে নিয়ে রোদচশমাটা ঠিক করে পরে নিল ত্রিশের রুমি। খটখটে শুষ্ক, গা জ্বালা করা গরমে ব্যাঙ্কের কাজে বেরিয়েছিল সে। চেনা রিক্সাওলাকে ডেকে নিয়ে সকাল সকাল ব্যাঙ্কে যাবে বলে ঠিক করেছিল। কিন্ত সংসারের সব কাজ সামলে বের হতে সেই দেরি হয়ে যায়। ঘড়িতে তখন বেলা সাড়ে ১০টা। বাড়ি থেকে বের হতেই মনে হলে আগুনের গোলা মুখের সামনে ধাক্কা দিয়ে চলে গেল। চোখে রোদচশমা, সানস্ক্রিন ক্রিম, মুখ-মাথা ওড়না ঢাকা দিয়েও রক্ষা পেল না রুমি। বাড়ি থেকে ব্যাঙ্কের দূরত্ব...
