Mamata on Madan Mitra: ‘সে কালই মেসেজ করেছিল…’, মঙ্গলবারই সব জেনে গিয়েছিলেন মমতা!
Madan Mitra: মদন মিত্র বিধানসভায় যাওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরই ফেসবুক লাইভে বসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। মদনের নাম না করেই তাঁর চলে যাওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন মমতা। এদিন তিনি বলেছেন, 'যারা যাওয়ার, তারা চলে যাক। যারা থাকবে, তারাই সোনার কর্মী।'

কলকাতা: বুধবার সকালে বিধানসভায় গিয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দিয়েছেন মদন মিত্র (Madan Mitra)। কামারহাটির বিধায়ক নিছকই একজন তৃণমূল নেতা নন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) প্রথম দিনের সঙ্গী। সবাই হাত ছেড়ে যাওয়ার পরও কালীঘাট ছাড়েননি মদন মিত্র। হঠাৎ কী এমন হল যে রাতারাতি এমন সিদ্ধান্ত নিলেন মদন মিত্র? এই পরিস্থিতিতে চর্চা চলছে ইডি নোটিস নিয়ে। দুর্নীতির মামলায় মদন মিত্রের পরিবারের কাছে এসেছে নোটিস। মদনের চলে যাওয়া প্রসঙ্গে এবার মুখ খুললেন মদন মিত্র।
মদন মিত্র বিধানসভায় যাওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরই ফেসবুক লাইভে বসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। মদনের নাম না করেই তাঁর চলে যাওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন মমতা। এদিন তিনি বলেছেন, ‘যারা যাওয়ার, তারা চলে যাক। যারা থাকবে, তারাই সোনার কর্মী।’
মদনের নাম না করে মমতা বলেন, “আজও একজন চলে গিয়েছে। সে আমাকে কালই মেসেজ করে বলেছিল যে স্ত্রী-পুত্রকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। তখনই বুঝে গিয়েছিলাম। সব পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছিলাম।” মদন এদিন দাবি করেছেন, তিনি কালীঘাটের সব পদ ছেড়ে দিয়েছেন। কিন্তু মমতার দাবি, তিনিই আগে সব পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছিলেন মদনকে।
ঋতব্রত শিবিরকে ‘সেটিং কোম্পানি’ বলে কটাক্ষ করেন মমতা। তিনি বলেন, “আমি জানতে পেরেছি, ভয় দেখিয়ে বলা হচ্ছে, সেটিং কোম্পানিতে নাম লেখান, নাহলে গাড়ি নিয়ে এসেছি, জেলে যান। ছেলেকে মেয়েকে অ্যারেস্ট করব।” যে সব কর্মীরা রাজনৈতিক চাপের মুখে জেলে গিয়েছেন, তাঁদের কুর্নিশ জানিয়েছেন মমতা।
