Sealdah Station: বিরাট বদল! শিয়ালদহ স্টেশনে তৈরি হচ্ছে মাল্টিপ্লেক্স, গেমিং জ়োন, স্লিপিং পড
Kolkata: পূর্ব রেলের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই প্রকল্পের মাধ্যমে শিয়ালদহকে শুধুমাত্র একটি রেলস্টেশন হিসেবে নয়, আধুনিক 'ট্রাভেল হাব' হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে। প্রকল্পটি পাবলিক-প্রাইভেট অংশিদারিত্বের মাধ্যমে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে এবং এর ফলে রেলের নন-ফেয়ার আয়ও বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।

কলকাতা: কলকাতার অন্যতম ব্যস্ত শিয়ালদহ স্টেশনের (Sealdah) পরিকাঠামোয় বড়সড় পরিবর্তনের পরিকল্পনা করেছে পূর্ব রেল। শুধু ট্রেনে ওঠানামা নয়, যাত্রীদের কেনাকাটা, খাওয়া-দাওয়া, বিনোদন এবং অল্প সময়ের বিশ্রামের সুবিধা,সব কিছুকে এক ছাদের নিচে আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
‘রিক্রিয়েশন জোন’-এ কী কী থাকছে?
শিয়ালদহ স্টেশনে তৈরি হতে চলেছে একটি বিশেষ ‘রিক্রিয়েশন জোন’। প্রস্তাবিত এই কমপ্লেক্সে থাকবে তিনটি তলা এবং একটি টেরেস। স্টেশনের গ্রাউন্ড ফ্লোরে ইতিমধ্যেই রেলের যে উন্নয়নমূলক কাজ চলছে, সেটি এই রিক্রিয়েশন জোনের আওতায় থাকবে না।
প্রস্তাবিত রিক্রিয়েশন জোনে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর দোকান, পোশাক ও অ্যাক্সেসরিজ, ইলেকট্রনিক্সের দোকান এবং বিভিন্ন দেশি-বিদেশি ব্র্যান্ডের আউটলেট রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি থাকবে ফুড কোর্ট, ক্যাফেটেরিয়া এবং বিভিন্ন খাবারের দোকান।
শুধু কেনাকাটা বা খাওয়াদাওয়া নয়, বিনোদনের ব্যবস্থাও থাকবে। পরিকল্পনায় রয়েছে গেমিং জোন এবং মাল্টিপ্লেক্স। অর্থাৎ ট্রেনের অপেক্ষার সময় যাত্রীরা চাইলে কেনাকাটা, খাওয়াদাওয়া বা বিনোদনের সুযোগ নিতে পারবেন।
যাত্রীদের স্বল্প সময়ের বিশ্রামের জন্য ‘স্লিপিং পড’ তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে। অর্থের বিনিময়ে যাত্রীরা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সেখানে বিশ্রাম নিতে পারবেন।
পূর্ব রেলের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই প্রকল্পের মাধ্যমে শিয়ালদহকে শুধুমাত্র একটি রেলস্টেশন হিসেবে নয়, আধুনিক ‘ট্রাভেল হাব’ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে। প্রকল্পটি পাবলিক-প্রাইভেট অংশিদারিত্বের মাধ্যমে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে এবং এর ফলে রেলের নন-ফেয়ার আয়ও বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।
প্রকল্পটির ১০ বছরের মোট চুক্তিমূল্য প্রায় ৩৯ কোটি ৮১ লক্ষ ২০ হাজার ২৯১ টাকা, GST-সহ। GST বাদে বার্ষিক চুক্তিমূল্য ২ কোটি ৫১ লক্ষ ১১ হাজার ১১১ টাকা। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, প্রকল্পের কাজ বা পরিষেবা শুরু হওয়ার কথা ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৭ থেকে।
অর্থাৎ, আগামী দিনে শিয়ালদহে ট্রেন ধরতে এসে যাত্রীদের সামনে শুধুমাত্র প্ল্যাটফর্ম বা অপেক্ষার জায়গা নয়—একই কমপ্লেক্সে কেনাকাটা, খাবার, বিনোদন এবং বিশ্রামের একাধিক সুযোগও মিলতে পারে।
