AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Calcutta High Court on CBI: ডিজিটাল অ্যারেস্টে ২.৬৬ কোটি প্রতারণা, নরেন্দ্রপুরের মামলা সিবিআইকে হস্তান্তরের নির্দেশ হাইকোর্টের

Narendrapur CASE: মামলার তদন্তে পুলিশ এখনও পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখাতে পারেনি, এই বিষয়টিও আদালতের নজরে আসে। এর পরিপ্রেক্ষিতে মামলাটি সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। আদালতের নির্দেশ, নরেন্দ্রপুর থানাকে মামলার কেস ডায়েরি-সহ সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি সাত দিনের মধ্যে সিবিআইয়ের (CBI) হাতে তুলে দিতে হবে।

Calcutta High Court on CBI: ডিজিটাল অ্যারেস্টে ২.৬৬ কোটি প্রতারণা, নরেন্দ্রপুরের মামলা সিবিআইকে হস্তান্তরের নির্দেশ হাইকোর্টের
কলকাতা হাইকোর্টImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Sep 23, 2026 | 7:20 PM
Share

কলকাতা: ‘ডিজিটাল অ্যারেস্টে’-এর নামে প্রতারণা ও তোলাবাজির অভিযোগে নরেন্দ্রপুর থানায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্তভার সিবিআইয়ের (CBI) হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর নরেন্দ্রপুর থানায় দায়ের হওয়া ওই মামলায় প্রায় ২ কোটি ৬৬ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ, প্রতারণার ফাঁদে ফেলে বিশেষত প্রবীণ নাগরিকদের সর্বস্বান্ত করা হয়েছিল।

মামলার তদন্তে পুলিশ এখনও পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখাতে পারেনি, এই বিষয়টিও আদালতের নজরে আসে। এর পরিপ্রেক্ষিতে মামলাটি সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। আদালতের নির্দেশ, নরেন্দ্রপুর থানাকে মামলার কেস ডায়েরি-সহ সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি সাত দিনের মধ্যে সিবিআইয়ের (CBI) হাতে তুলে দিতে হবে। এরপর সিবিআই তদন্তভার গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে।

এই মামলার সঙ্গে গত বছর ১ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশের প্রসঙ্গও উঠে এসেছে। ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’-এর নামে প্রতারণা ও তোলাবাজির মতো মামলাগুলির তদন্তে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ভূমিকা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর দেশজুড়ে এই ধরনের মামলার তদন্ত সিবিআইয়ের হাতে যাওয়ার বিষয়টি আদালতে উল্লেখ করা হয়।

নরেন্দ্রপুরের মামলায় বিপুল অঙ্কের অর্থ প্রতারণার অভিযোগ এবং প্রবীণদের সর্বস্বান্ত করার অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে মামলাটি সিবিআইকে দেওয়া যুক্তিযুক্ত বলে মনে করেছে হাইকোর্ট। আদালতের পর্যবেক্ষণে উঠে আসে, এই ধরনের আন্তঃরাজ্য বা সংগঠিত সাইবার প্রতারণার তদন্তে কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্ত প্রয়োজন হতে পারে।

সিবিআই তদন্তের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট একটি ব্যাঙ্কের তরফে আদালতে আপত্তি জানানোর চেষ্টা করা হয়। তখন সেই আইনজীবীকে থামিয়ে দেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। ব্যাঙ্কের ভূমিকা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। বিচারপতি জানতে চান, গ্রাহকদের অভিযোগ জানানোর জন্য ব্যাঙ্ক কোনও ‘গ্রিভান্স রিড্রেসাল পোর্টাল’ তৈরি করেছে কি না।

আদালতের বক্তব্য, গ্রাহকদের সমস্যা সমাধানের জন্য এমন ব্যবস্থা না থাকলে এখন আদালতে সেই বিষয় নিয়ে বক্তব্য রেখে বিশেষ লাভ নেই। ব্যাংকের ভূমিকা নিয়ে আদালতে আর বিস্তারিত আলোচনা না করে সিবিআইয়ের কাছেই প্রয়োজনীয় জবাব দিতে বলা হয়।

Follow Us