
কলকাতা: শুভেন্দু অধিকারীর নবান্ন ধর্নায় না আদালতের। হাইকোর্ট বলছে, চাইলে মন্দির তলায় ধরনা চলতে পারে। নির্দেশ বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের। রাজ্যের যুক্তি ছিল নবান্ন হাইসিকিউরিটি জোন তাই সেখানে সম্ভব নয়। শেষ পর্যন্ত রাজ্যের যুক্তিতেই সায় দেন বিচারপতি। শেষ পর্যন্ত মন্দিরতলা বাসস্ট্যান্ডের কাছে (যা নবান্নর পিছনের দিকে) ধরনা আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আগেও এ নিয়ে শুনানি চলেছিল হাইকোর্টে। তখনই নিজের আপত্তির কথা জানিয়েছিলেন বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ। এবার পাকাপাকিভাবে না করে দিলেন। যদিও ইতিমধ্য়েই ডিভিশন বেঞ্চে যাওয়ার তোড়জোড় শুরু করেছে বিজেপি।
প্রসঙ্গত, I-PAC এর অফিসে ইডি হানা দিতেই সেখানে চলে গিয়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকে বেশ কিছু নথিও নিয়ে চলে আসেন বলে অভিযোগ। এই মামলায় জল গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। অন্যদিকে ইডি রেইডের সময় আচমকা মমতার চলে যাওয়া, ফাইল নিয়ে চলে আসা নিয়ে সুর চড়িয়েই চলেছে বিজেপি। কেন্দ্রীয় এজেন্সির তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগে নবান্নের সামনে ধরনার অনুমতি চেয়ে দ্বারস্থ হয়ে হাইকোর্টে।
এখন বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলছেন, “বিজেপি বিধায়কেরা নবান্নের সামনে প্রতিবাদ কর্মসূচি করার অনুমতি চেয়েছিলেন। এই ন্যায্য গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করতে আমরা এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করব। যত দ্রুত সম্ভব ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হব।” যদিও মামলার তোড়জোড় শুরু হতেই খোঁচা দিয়েছিল তৃণমূল। তৃণমূলের আইটি সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেছিলেন, “যাঁরা ভিতরে কোনওদিন বসতে পারবে না। তারা যদি বাইরে বসতে চায়, কী বলি! ওরা সমীক্ষায় বুঝে গিয়ে, বিজেপি এবার ৫০-৬০এর গণ্ডি পেরোতে পারবে না। তাই বাইরে বসে দুধের স্বাদ ঘোলা মেটাতে চাইছেন।”