AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

SRFTI Chaos: ‘যদি পাকিস্তানের স্লোগান দেয়, তাহলে ওরা অ্যান্টি-ন্যাশানাল’, রণক্ষেত্রে SRFTI-তে গ্রেফতারের আশ্বাস পুলিশের

SRFTI: একটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন SRFTI-এর অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠানে আয়োজন করেছিল। অভিযোগ, সেই সময় পড়ুয়ারা এসে প্রশ্ন তোলে কেন প্রতিষ্ঠানের ভিতর এই অনুষ্ঠান করা হবে? এই নিয়ে দু’পক্ষের কথাকাটি শুরু হয়। এরপরই তা পৌঁছয় হাতাহাতিতে।

SRFTI Chaos: 'যদি পাকিস্তানের স্লোগান দেয়, তাহলে ওরা অ্যান্টি-ন্যাশানাল', রণক্ষেত্রে SRFTI-তে গ্রেফতারের আশ্বাস পুলিশের
SRFTI-নিয়ে পুলিশImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Sep 27, 2026 | 7:33 PM
Share

কলকাতা: কেউ যদি দেশকে অসম্মান করে তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, স্পষ্ট জানালেন পুলিশ কর্তা। বহিরাগতদের তাণ্ডবে তপ্ত ‘সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইন্সস্টিউশন’। ছাত্রদের বেধড়ক মারধরের অভিযোগ। পাল্টা আবার বহিরাগতদের দাবি, দেশকে অসম্মান করা হয়েছে, লাথি মারা হয়েছে দেশমাতার ছবিতে, স্বামীজীর ছবি ছিঁড়েছেন পড়ুয়ারা। এই নিয়েই রণক্ষেত্র পরিস্থিত সেখানে। আহত একাধিক ছাত্র। অ্যাম্বুলেন্সে করে তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময়ও বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে বহিরাগতদের বিরুদ্ধে। তাঁদের প্রশ্ন, যে সকল পড়ুয়ারা দেশ বিরোধী স্লোগান দিচ্ছে, কেন পুলিশ সেই ছাত্রদেরই অ্যাম্বুলেন্সকে বের করতে সাহায্য করছে।

এ দিন, ক্যাম্পাসের এক বহিরাগত পুলিশ কর্তাকে প্রশ্ন করেন, ‘স্যর ওরা ওইখানে দাঁড়িয়ে বহুবার স্লোগান দিয়েছে পাকিস্তান জিন্দাবাদ, আপনারা সমর্থন করলেন?’ পুলিশ কর্তা বললেন,’দেশ বিরোধী কথা সমর্থন করি না। যদি কেউ বলে থাকে, তাহলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর যেটা আপনি বললেন, যদি কেউ পাকিস্তানের স্লোগান দেয় তাহলে ওরা দেশবিরোধী। আমি তো পুলিশ? আহতদের অ্যাম্বুলেন্সে করে বের করা কর্তব্য।’ ফের এক ব্যক্তি বলেন, ‘ভারত মাতার ছবিতে লাথি মেরেছে তার ভিডিয়ো আছে।’ তখন পুলিশ কর্তা বলেন, ‘যদি কেউ এমন কাজ করেন তাহলে তিনি গ্রেফতার হবেন।’

একটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন SRFTI-এর অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠানে আয়োজন করেছিল। অভিযোগ, সেই সময় পড়ুয়ারা এসে প্রশ্ন তোলে কেন প্রতিষ্ঠানের ভিতর এই অনুষ্ঠান করা হবে? এই নিয়ে দু’পক্ষের কথাকাটি শুরু হয়। এরপরই তা পৌঁছয় হাতাহাতিতে। উদ্যোক্তাদের অভিযোগ, তাঁদের পোস্টার-ব্যানার ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে। পড়ুয়াদের দাবি, কথা বলার সময় তাঁদের গায়ে হাত তোলা হয়েছে। চড়-থাপ্পরও মারা হয়। শিক্ষকরাও আক্রান্ত। দুপুরের সেই ঘটনার ঝাঁঝ সময় গড়াতেই আরও বাড়ে। ক্যাম্পাসের বাইরে আরও বহিরাগতরা জমায়েত করেন। হাজির হন বিজেপি কর্মী সমর্থকরাও। এক ছাত্রকে ফেলে মারা হয়। কার্যত তাঁকে নগ্ন করা হয়। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে ছাত্রদের অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

Follow Us