AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Pratik Ur Rahman: ‘হয় বলুক কবুল নয়ত তালাক-তালাক-তালাক… খোরপোষ নেব কি না তারপর বলব’

CPIM: ইতিমধ্যেই প্রতীক-উরের তৃণমূলে যোগদান নিয়ে জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে। এরই মাঝে প্রতীক-উরের মান ভাঙাতে ফোন যায় বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুর। কিন্তু বরফ গলেনি তারপরও। প্রতীক-উরের স্পষ্ট বক্তব্য, "আমার এমএলএ-এমপি হওয়ার শখ নেই। আমার শখ হল, আমি সংগঠন করব, খিদে পেলে ঘুগনি মুড়ি খাব।"

Pratik Ur Rahman: 'হয় বলুক কবুল নয়ত তালাক-তালাক-তালাক... খোরপোষ নেব কি না তারপর বলব'
Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Feb 18, 2026 | 9:11 PM
Share

কলকাতা: এখনও তাঁকে দলের ‘অ্যাসেট’ বলে মনে করেন সিপিএমের একাংশ। ভরসা করেই ডায়মন্ড হারবারের মতো কেন্দ্রে তাঁকে টিকিট দেওয়া হয়েছিল লোকসভা নির্বাচনে। এবার ‘তালাক’ চাইছেন সেই প্রতীক-উর। বাম শিবিরের তরফে যে একেবারেই কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি, তা নয়, তবে সিপিএম এখনও কার্যত নিশ্চুপ। নিজেকে প্রাক্তন বলবেন না বর্তমান, সেটাই বুঝে উঠতে পারছেন না তরুণ রাজনীতিক।

দল ছাড়তে চেয়ে চিঠি পাঠানোর পর তাঁকে ফোন করেছিলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। সূত্রের খবর, বিমানের মুখোমুখি হতে আপত্তি জানিয়েছে প্রতীক-উর। কিন্তু সেলিম? যে দল ছাড়ার কথা জানিয়েছেন প্রতীক-উর,  সেই দলের রাজ্য় সম্পাদকই কোনও কথা বলছেন না। ‘হ্যাঁ’, ‘না’ কোনোওটাই না। সেই নীরবতা নিয়েই এবার মুখ খুললেন প্রতীক-উর।

তরুণ এই নেতা বলেন, “আমি তো দলের সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলাম। আমার সঙ্গে কথা বলার সদিচ্ছা দেখাচ্ছে না। আসলে চায় না আমি পার্টিটা করি। রাজ্য সম্পাদক হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে বসে কথা বলতে পারেন, আর একজন প্রাক্তন (যদি ধরে নিই) সদস্যের সঙ্গে কথা বলতে সমস্যা! অমুক নেতা-তমুক নেতাকে পাঠানোর কী মানে। এই নেতা ওই নেতাকে দিয়ে ফোন করাচ্ছেন।” তিনি আরও বলেন, “হয় বলুন কবুল কবুল কবুল, নয়ত বলে দিন তালাক তালাক তালাক”।

তালাক দিলে কী করবেন? প্রশ্ন করতেই প্রতীক-উরের জবাব, “আগে তালাক দিক, তারপর বলব। খোরপোষ চাইব নাকি অন্য জায়গায় বিয়ে করব, সেটা তখন ঠিক করব।” প্রতীক-উরের স্পষ্ট বক্তব্য, “আমার এমএলএ-এমপি হওয়ার শখ নেই। আমার শখ হল, আমি সংগঠন করব, খিদে পেলে ঘুগনি মুড়ি খাব। চার চাকা গাড়িতে সেলিব্রিটি হওয়ার কোনও শখ আমার নেই।”

ইতিমধ্যেই প্রতীক-উরের তৃণমূলে যোগদান নিয়ে জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে। এরই মাঝে প্রতীক-উরের মান ভাঙাতে ফোন যায় বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুর। কিন্তু বরফ গলেনি তারপরও। প্রতীক-উর বলেছেন, “আপনার যে কোনও কথা আমার কাছে আদেশ। এই অবস্থায় আমি আপনার মুখোমুখি হতে পারব না।”