Pratik Ur Rahman: ‘আমার জন্য এক নিয়ম, অমুক মুখার্জির জন্য এক নিয়ম…’ , সব ক্ষোভ একে একে উগরে দিলেন প্রতীক-উর
CPIM: প্রতীক-উরের অভিযোগ, জেলা সম্মেলনের সময় জেলা সম্পাদকের লোকজন তাঁকে বার্তা দিয়েছিল, 'আমাদের সঙ্গে থাকলে পদ পাবে, না থাকলে পাবে না।' এমনকী লোকসভা কেন্দ্রের কোথাও তাঁকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। সভা থেকে মিটিং কোথাও ঢুকতে দেওয়া হয়নি।

কলকাতা: প্রতীক-উর সিপিএমের হতে চেয়েছিল, সিপিএম প্রতীক-উরকে নেয়নি। কার্যত এমনই আক্ষেপের কথা শোনা গেল সদ্য সিপিএম ছাড়া নেতার মুখে। কলেজ থেকে বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে এতটা পথ এগিয়ে আসার পরও কেন এমন চরম সিদ্ধান্ত নিতে হল প্রতীক-উরকে? প্রশ্ন করতেই উঠে এলে একের পর এক আক্ষেপ আর চূড়ান্ত ক্ষোভ। দলের রাজ্য সম্পাদককে গ্রেগ চ্যাপেলের সঙ্গে তুলনা করলেন নির্দ্বিধায়। কেন এত রাগ প্রতীক-উরের?
সরাসরি প্রতীক-উর বলেন, “অনেকদিন ধরে, অনেক বিষয়ে মতানৈক্য হয়েছে। টানা ২ বছর কোনও কাজ নেই। আমার হাতে কোনও ফ্রন্ট নেই। ফ্রন্ট চাইতে যেতে বলা হয়েছিল, এক জায়গা থেকে লাফিয়ে অন্য জায়গায় যাওয়া যায় না। দেখলাম সেই বছরও অন্য একজনকে একটা ফ্রন্ট থেকে অন্য ফ্রন্টের সর্বোচ্চ জায়গায় বসিয়ে দেওয়া হল। আমার জন্য এক নিয়ম, অমুক মুখার্জির জন্য এক নিয়ম এটা তো হতে পারে না।”
প্রতীক-উরের আরও অভিযোগ, জেলা সম্মেলনের সময় জেলা সম্পাদকের লোকজন তাঁকে বার্তা দিয়েছিল, ‘আমাদের সঙ্গে থাকলে পদ পাবে, না থাকলে পাবে না।’ এমনকী লোকসভা কেন্দ্রের কোথাও তাঁকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। সভা থেকে মিটিং কোথাও ঢুকতে দেওয়া হয়নি।
দলের অন্দরে প্রশ্ন করার অধিকার কমে যাচ্ছিল বলেও মন্তব্য করেন প্রতীক-উর। তিনি জানান, ‘বাংলা বাঁচাও যাত্রা’য় সৃজন ভট্টাচার্যের নাম কেন নেই, প্রশ্ন করেছিলেন তিনি। এটাই কি তাঁর অপরাধ? প্রতীকে সাফ জবাব, “এতদিন আপনাদের দলের খবর সবাই মিডিয়া আর সোশ্যাল মিডিয়ায় শুনত। এবার আমি মিডিয়া আর সোশ্যাল মিডিয়ায় বলব, আপনারা বসে বসে দেখুন।”
