
কলকাতা: বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, দিলীপ ঘোষকে মাঠ জুড়ে খেলানো হবে। সত্যিই কি মাঠ জুড়ে খেলতে প্রস্তুত দিলীপ ঘোষ? কী দায়িত্ব দেওয়া হল তাঁকে, সব প্রশ্নের উত্তর দিলেন প্রাক্তন সাংসদ। বিগত দীর্ঘ সময় ধরে কোনও সভা-সমিতিতেও দেখা যায়নি তাঁকে। বিজেপির কোনও অনুষ্ঠানেই প্রায় ডাক পেতেন না তিনি। আর এবার সেই দিলীপই বসলেন সাংবাদিক বৈঠকে। শীঘ্রই জনসভাতেও দেখা যাবে তাঁকে।
এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, “অমিত শাহ বলেছেন, পুরোপুরি কাজে লাগতে হবে।” এদিন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে দেখা করেছেন দিলীপ ঘোষ। তিনি জানিয়েছেন, অনেক কমিটি তৈরি হয়েছে, যেগুলোর ব্যাপারে তাঁর জানা ছিল না। সেগুলিই বুঝে নিয়েছেন দিলীপ ঘোষ।
তবে শুধুই বিজেপি দফতরে বসে বৈঠক নয়। শীঘ্রই জনসভাতেও দেখা যাবে দিলীপ ঘোষকে। তিনি জানিয়েছেন, জানুয়ারিতেই শমীক ভট্টাচার্যের একটি সভা করার কথা আছে দুর্গাপুরে। সেই সভাতেই থাকবেন দিলীপ। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, সত্যিই কি মাঠ জুড়ে খেলবেন তিনি? উত্তরে দিলীপ জানিয়েছেন, তাঁকে দল যেভাবে কাজে লাগাবে সেভাবেই কাজ করবেন তিনি। ভোটে লড়তে বললেও লড়বেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
আদি-নব্য দ্বন্দ্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠলে, তা কৌশলে এড়িয়ে গিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর কথায়, নতুন নেতারা দলে এলে তাঁদের নতুন করে সব বোঝাতে হয়। ভোটের আগে প্রতিবারই এমন নতুন নেতাদের আনাগোনা বাড়ে বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি। নব্য নেতারা কি আপনাকে বুঝতে পারেনি? এই প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ ঘোষ বলেন, “দল বুঝলেই হল। আর কে বুঝবে, আমার জানার দরকার নেই। কাউকে বোঝানো আমার কাজ নয়।”
বিজেপি কোন পথে এগোবে, সে কথা বলতে গিয়ে দিলীপ ঘোষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদাহরণ টেনে আনেন। বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কত বছর ধরে লড়াই করতে করতে জিতেছেন। এবার বিজেপির অন্য আঙ্গিকে লড়াই হবে।”