AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Recruitment Scam: নতুন করে গতি? নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের তলব কুন্তল ঘোষ-মণীশ জৈনকে

Recruitment Scam: এসএসসি দুর্নীতি মামলায় মূলত 'মধ্যস্থতাকারী' হিসাবে কুন্তল ঘোষের নাম উঠে আসে। চার্জশিটে তদন্তকারীরা কুন্তলের বিরুদ্ধে উল্লেখ করেন,  কুন্তল এই চাকরি দুর্নীতির টাকা লেনদেনের “মিডলম্যান” বা মূল সংগঠকদের একজন ছিলেন। চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রার্থীদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা তোলা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই টাকার মনি ট্রেল খুঁজতে গিয়ে তাঁর নাম সামনে আসে।

Recruitment Scam: নতুন করে গতি? নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের তলব কুন্তল ঘোষ-মণীশ জৈনকে
বাঁ দিকে- মণীশ জৈন, ডান দিকে-কুন্তল ঘোষImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Mar 11, 2026 | 2:22 PM
Share

কলকাতা: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার কুন্তল ঘোষকে তলব। তৃণমূল যুব নেতা কুন্তল ঘোষকে তলব করল ইডি। এর সঙ্গে ডাকা হয়েছে শিক্ষা দফতরের প্রাক্তন সচিব মণীশ জৈনকে। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই তাঁদের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১৬-১৯ মার্চের মধ্যেই তাঁদের দিতে হবে হাজিরা। জানা যাচ্ছে, এসএসসি-র নবম দশম, একাদশ দ্বাদশের শিক্ষক দুর্নীতি মামলায় কুন্তল ঘোষকে তলব করা হয়েছে। এই মামলাতেই দিন কয়েক আগে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে তলব করেছিল ইডি। পাশাপাশি ১০০-র বেশি চাকরিপ্রার্থী, যাঁরা টাকা দিয়েও চাকরি পাননি, তাঁদেরকেও ডাকা হয়েছে বলে খবর। তাঁদের কাছ থেকে আরও একাধিক বিষয় জানতে চাইছেন আধিকারিকরা।  বলাইবাহুল্য এতদিন পর আবার কুন্তল-মণীশকে তলবে, তাতে নতুন করে, এই মামলায় গতি আনতে চাইছেন তদন্তকারীরা।

এসএসসি দুর্নীতি মামলায় মূলত ‘মধ্যস্থতাকারী’ হিসাবে কুন্তল ঘোষের নাম উঠে আসে। চার্জশিটে তদন্তকারীরা কুন্তলের বিরুদ্ধে উল্লেখ করেন,  কুন্তল এই চাকরি দুর্নীতির টাকা লেনদেনের “মিডলম্যান” বা মূল সংগঠকদের একজন ছিলেন। চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রার্থীদের কাছ থেকে ক্ষ লক্ষ টাকা তোলা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই টাকার মনি ট্রেল খুঁজতে গিয়ে তাঁর নাম সামনে আসে। ২০২৩ সালে কুন্তল ঘোষকে গ্রেফতার করেন ইডি আধিকারিকরা। জেলে থাকাকালীন কুন্তল দাবি করেছিলেন, তাঁর কাছে একটি ডায়েরি রয়েছে। দুর্নীতির টাকা কাকে, কখন, কতটা দেওয়া হয়েছে, তার বিস্তারিত সেই ডায়েরিতে লেখা রয়েছে বলে তিনি দাবি করেছিলেন। তা নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। ১৯ মাস পর ২০২৪ সালে জামিনও পান তিনি। সেক্ষেত্রে আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, মামলার বিচার শেষ হতে অনেক সময় লাগতে পারে, তাই দীর্ঘদিন হেফাজতে রাখা ঠিক নয়।

কুন্তল ঘোষের বয়ান থেকেই উঠে আসে মণীশ জৈনের নাম। তদন্তকারীরা জানতে পারেন, নিয়োগ সংক্রান্ত অনেক নথিকে প্রাক্তন শিক্ষাসচিব মণীশ জৈনের সই করেছে। এর আগেও প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ও অন্যান্য গ্রেফতার হওয়া আধিকারিকদের সঙ্গে মণীশ জৈনের বয়ান মিলিয়ে দেখা হয়। এবারও তেমনই কোনও এক পন্থায় যেতে পারেন আধিকারিকরা।

Follow Us