Kalighat Milan Sangha Club: ‘মমতাদির ভাই ষষ্ঠী বন্দ্যোপাধ্যায় দিতাম…’, কালীঘাটের বস্তি থেকে উঠল বিস্ফোরক অভিযোগ
Suvendu Adhikari's Party Office: এই অঞ্চলটি আদি গঙ্গার তীরবর্তীতে অবস্থিত। যা কলকাতা বন্দরের জমি হিসেবে পরিচিত। সেখান থেকে কীভাবে চলত এই তোলাবাজি? এলাকাবাসীর তরফে স্থানীয় বিধায়ক তথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কার্যালয়ে অভিযোগ জানানো হয়। পরে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব এই বস্তি পরিদর্শন করে।

কলকাতা: প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি সংলগ্ন কালীঘাট মিলন সংঘ ক্লাব। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার আগে থেকেই এখানে প্রায় বাস ১০০-র বেশি পরিবারের।তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর থেকেই এখানে বসবাসকারী সকল পরিবারকে দিতে হত ভাড়া। আর সেই ভাড়ার টাকা তোলার অভিযোগ উঠল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাই ষষ্ঠী চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। ক্লাবের প্যাডে কীভাবে তোলা হত ভাড়া? বাড়ি ভাড়ার টাকা নিত ক্লাব? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়ির এত পাশে এমন ঘটনা, তিনি কিছুই জানতেন না? উঠছে প্রশ্ন।
প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি সংলগ্ন ‘কালীঘাট মিলন সংঘ’। এই ক্লাবের পাশেই রয়েছে একটি বস্তি। যেখানে প্রায় ৮০ থেকে ১০০টি পরিবার বসবাস করেন। সেখানকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, বস্তিবাসীদের থেকে নিয়মিত ভাড়ার নামে তোলা আদায় করা হত। কারো কাছে ৩০০ তো কারও কাছে ৫০০ টাকা। এমনকী, আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত কোনও কোনও পরিবারের কাছ থেকে তোলা আদায় করা হতো বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। তাঁদের কাছ থেকে টাকার নেওয়ার বিনিময়ে হাতে দেওয়া হত ‘কালীঘাট মিলন সংঘের স্লিপ’।
এই অঞ্চলটি আদি গঙ্গার তীরবর্তীতে অবস্থিত। যা কলকাতা বন্দরের জমি হিসেবে পরিচিত। সেখান থেকে কীভাবে চলত এই তোলাবাজি? এলাকাবাসীর তরফে স্থানীয় বিধায়ক তথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কার্যালয়ে অভিযোগ জানানো হয়। পরে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব এই বস্তি পরিদর্শন করে। তাদের তরফে এলাকাবাসীর কাছ থেকে একটি স্মারকলিপি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে জমা দেয়ার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, “শুনেছি এটা নাকি একটা ক্লাবের আন্ডারে। অথচ আমরা কোনও পরিষেবা পাই না। আমরা এই ভাড়া মমতাদির ভাই ষষ্ঠী বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে দিতাম। ক্লাবের প্যাডে ভাড়া নিয়ে যেত। কখনও উনি নিজে আসতেন কখনও লোক পাঠাতেন।” আরও এক বাসিন্দা বলেন, “আমরা এখানে বহু বছর আছি। তৃণমূল আমলে পুরো বস্তিকে টাকা দিতে হয়। আমরা টাকাও দিতাম কিন্তু কোনও পরিষেবা পাইনি।”
