AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Subrata Gupta: ‘এবার থেকে এটাই বাংলার ট্রেন্ড, মৃত্যুহীন শান্তিপূর্ণ ভোট’, স্বস্তির হাসি সুব্রত গুপ্তর

WB Assembly Election 2026: বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত। আর একজন বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক এন কে মিশ্র। জানা গিয়েছে, দ্বিতীয় দফা ভোটের আগের রাতে দু চোখের পাতা এক করেননি তাঁরা। মধ্যরাতে ছুটে গিয়েছেন কলকাতার এক বুথ থেকে অন্য বুথে। রাতে কাশীপুরে বাইক বাহিনীকে থামানো থেকে ফোনে একাধিক অভিযোগের নিষ্পত্তি করেছেন তিনি।

Subrata Gupta: 'এবার থেকে এটাই বাংলার ট্রেন্ড, মৃত্যুহীন শান্তিপূর্ণ ভোট', স্বস্তির হাসি সুব্রত গুপ্তর
সুব্রত গুপ্ত ও এন কে মিশ্রImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Apr 29, 2026 | 11:27 PM
Share

কলকাতা : ভোট শেষ। সঙ্গে যেন একটা যুদ্ধেরও সমাপ্তি। বাংলার মানুষের মন জয় করতে দুই-তিন মাস ধরে মাটি কামড়ে পড়েছিলেন সব রাজনৈতিক দল। ভোটের আগে শেষ এক মাস এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে গিয়েছেন প্রার্থীরা। তবে, এটা শুধু প্রার্থীদের পরীক্ষা ছিল না, পরীক্ষা ছিল নির্বাচন কমিশনেরও (Election Commission)। বিশেষ করে এবারের ভোটটা কমিশনের কাছে একটা চ্যালেঞ্জ ছিল। প্রথম থেকে কমিশন বলে এসেছে, বাংলায় এবার শান্তিপূর্ণ ভোট (West Bengal Assembly Election 2026) হবে। ভয়মুক্ত ভোট হবে। ছাপ্পাহীন ভোট হবে। দুই দফা ভোটের পর বলা যেতে পারে কমিশন কার্যত সফল। দুই একটা বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া ভোট মোটের উপর শান্তিপূর্ণ। তার উপর এবার রেকর্ড ভোট পড়েছে বাংলায়। যা আগে দেখেনি বাংলা। আর বাংলায় এই ভোটের দায়িত্বে ছিলেন দুই পর্যবেক্ষক (Special Ovservers)। যাঁরা রাতের পর রাত জেগেছেন। কমিশনের আসল সিংঘমরা ঘরে বসে নিয়ন্ত্রণে এনেছেন দুষ্কৃতীদের।

ভোট বঙ্গে দুই পর্যবেক্ষকের ‘যুদ্ধ’

বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত। আর একজন বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক এন কে মিশ্র। জানা গিয়েছে, দ্বিতীয় দফা ভোটের আগের রাতে দু চোখের পাতা এক করেননি তাঁরা। মধ্যরাতে ছুটে গিয়েছেন কলকাতার এক বুথ থেকে অন্য বুথে। রাতে কাশীপুরে বাইক বাহিনীকে থামানো থেকে ফোনে একাধিক অভিযোগের নিষ্পত্তি করেছেন তিনি। আজ বাংলার ভোট শেষে তাঁরাও খুশি। এদিন, অফিসে বিকেলে স্বস্তির নি:শ্বাস ফেলেন তাঁরা। বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষককে সুব্রত গুপ্ত বলেন, “এবার থেকে এটাই বাংলার ট্রেন্ড হবে। মৃত্যুহীন শান্তিপূর্ণ ভোট।”

দুই পর্যবেক্ষকের কাজ শুরু হয়েছিল কয়েকমাস আগেই। জেলা পরিদর্শন করে তাঁরা বুঝেছিলেন বাংলার ভোটে খুন-জখম মামুলি ব্যাপার। পুলিশ পর্যবেক্ষক এন কে মিশ্রকে সবচেয়ে বেশি ভাবিয়েছিল প্রথম দফায় মুর্শিদাবাদ, বীরভূম। মুর্শিদাবাদে প্রচুর নাম SIR থেকে বাদ যায়। ফলে আশঙ্কায় ছিলেন, মানুষের অধিকার চলে যাওয়ার প্রতিবাদ কীভাবে সামলাবেন। আর বীরভূমে দাগী অপরাধীদের দাপট বাড়ছিল। সেদিকেও নজর ছিল তাঁর।

যুদ্ধ জয়ের হাসি ?

দ্বিতীয় দফার আগে ঠিক হয় মধ্যরাতে পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে বৈঠক করা হবে। সন্ধেবেলা সিইও বৈঠক করেন ওসিদের সঙ্গে। ভোটের দিন সকালে ঘন ঘন এস এম এস আসতে থাকে স্বয়ং জ্ঞানেশ কুমারের। কলকাতার কয়েকটি কেন্দ্র পরিদর্শনে যান সুব্রত গুপ্ত। ঠান্ডা মাথায় দুই পর্যবেক্ষক বুঝিয়েছেন, কীভাবে কমিশন ভোট করাবে।

যুদ্ধশেষে জয়ের হাসি দু’জনের মুখেই। তবে, যুদ্ধ এখনই শেষ নয়। আপাতত তাঁদের লক্ষ ভোট পরবর্তী হিংসা শূন্যে নিয়ে আসা। এর জন্য বরাদ্দ ৫০০ কোম্পানি বাহিনী, যা প্রয়োজনে বাড়তেও পারে।

Follow Us