
কলকাতা: ভবানীপুরে রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ নিয়ে টানাপোড়েন। এবার রাজ্যের কাছে তিন আধিকারিকের নাম চাইল নির্বাচন কমিশন। মুখ্যসচিবের কাছে এসেছে এই নির্দেশ। প্রসঙ্গত, নন্দীগ্রামের বিডিও-কে ভবানীপুরে পাঠাতেই বিতর্কের সূত্রপাত। নির্বাচন কমিশন ও সিইও-র কাছে অভিযোগ জানায় তৃণমূল। তৃণমূলের দাবি ছিল, নন্দীগ্রামের বিডিও সুরজিৎ রায়কে ভবানীপুরের রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব থেকে সরাতে হবে।
শাসকদলের অভিযোগ, ওই বিডিও বিধানসভার বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ। একইসঙ্গেই এই শুভেন্দু এবারও নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থীও বটে। প্রার্থী হয়েছেন ভবানীপুরেরও। শাসকদলের সন্দেহ, এই ব্যক্তি রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্বে থাকলে ভোটকে প্রভাবিত করতে পারেন। এই মর্মেই নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানায় তৃণমূল। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে জলঘোলাও হয়।
অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি খতিয়ে দেখে নির্বাচন কমিশন। এরই প্রেক্ষিতে এবার রাজ্যের মুখ্যসচিবের কাছে এল নতুন নির্দেশ। তাতেই একই স্তরের উপযুক্ত তিনজন আধিকারিকের নাম নতুন করে পাঠাতে বলা হয়েছে। প্রসঙ্গত, এবারের ভোটে যে নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুরও যে অন্যতম এপিসেন্টার তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আগের বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর কাছে হারতে হয়েছিল মমতাকে। এবার একেবারে মমতার ডেরায় হানা দিয়েছেন শুভেন্দু। ছুঁড়ে দিয়েছেন খোলা চ্যালেঞ্জ। শুধু নন্দীগ্রাম নয়, তিনি দাঁড়িয়েছেন ভাবনীপুরেও। তবে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ঘাসফুল শিবির। অন্যদিকে একসময়ে শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী পবিত্র করকে দলে টেনে নিয়েছে তৃণমূল। তাঁকে এবার শুভেন্দুর বিপরীতে টিকিট দেওয়া হয়েছে নন্দীগ্রাম থেকে। তা নিয়েও চর্চার অন্ত নেই।