Private Tution: আর যেন প্রাইভেট টিউশনের দরকারই না পড়ে, শিক্ষার মান উন্নয়নে নয়া কমিটি গঠন রাজ্যের
Private Tuition in West Bengal: বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এই নবগঠিত কমিটি প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত স্কুলের সমগ্র সিলেবাস, পাঠ্যপুস্তক এবং কারিকুলাম বা পাঠক্রম পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করবে। কমিটিকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় দেখার জন্য গুরুদায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে স্কুল শিক্ষার সার্বিক মান উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি বিশেষ বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করল রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতর। এই বিষয়ে সম্প্রতি একটি সরকারি নোটিফিকেশনও জারি করা হয়েছে। রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও যুগোপযোগী, প্রাসঙ্গিক ও বিজ্ঞানসম্মত করে তোলার জন্য রাজ্য সরকারকে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদান করাই হবে এই কমিটির প্রধান কাজ।
বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এই নবগঠিত কমিটি প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত স্কুলের সমগ্র সিলেবাস, পাঠ্যপুস্তক এবং কারিকুলাম বা পাঠক্রম পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করবে। কমিটিকে আরও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় দেখার জন্য গুরুদায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কমিটির চেয়াম্যানের দায়িত্বে থাকছে অধ্যাপক দেবাশিস চট্টোপাধ্যায়।
প্রথাগত মুখস্থ বিদ্যার উপর নির্ভরতা কমিয়ে ছাত্রছাত্রীরা যাতে পাঠ্যক্রমটি ভালোভাবে বুঝতে ও আত্মস্থ করতে পারে, সেদিকে জোর দেওয়া হবে নতুন শিক্ষা ব্যবস্থায়। পঠনপাঠনের মাধ্যমে পড়ুয়াদের মনে বিষয়ভিত্তিক কৌতূহল জাগিয়ে তোলাই হবে কমিটির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। একইসঙ্গে ছাত্রছাত্রীদের উপর থেকে পরীক্ষার বোঝা কমানোর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। দেশের বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের মূল্যায়ন পদ্ধতি বা ‘ইভ্যালুয়েশন’ (Evaluation) প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখবে কমিটি। এরপর রাজ্যের জন্য একটি আধুনিক, বিজ্ঞানসম্মত এবং সম্পূর্ণ চাপমুক্ত মূল্যায়ন নীতির সুপারিশ করবে।
একইসঙ্গে প্রাইভেট টিউশন নির্ভরতা কমানোর উপরেও জোর দেওয়া হচ্ছে। ক্লাসরুমের পঠনপাঠনের মান এতটাই উন্নত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে ছাত্রছাত্রীদের আর আলাদা করে কোনও প্রাইভেট টিউশন বা গৃহশিক্ষকের দ্বারস্থ হতে না হয়। স্কুলে বসেই তারা যেন নিজেদের সব সংশয় দূর করতে পারে। সোজা কথায়, চিরাচরিত রীতির বাইরে গিয়ে আধুনিক ও উদ্ভাবনী শিক্ষাপদ্ধতির সাহায্যে ছাত্রছাত্রীদের পড়ানোর বিষয়ে কমিটিকে বিশেষ জোর দিতে বলা হয়েছে।
