Calcutta High Court: CPM-এর বুকস্টল মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাস থেকে মামলা সরানোর আর্জি রাজ্যের
Kolkata: পূর্ত দফতর থেকে সেগুলির প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া হয়েছে কি না। বিচারপতির মন্তব্য, "একপক্ষকে দেওয়া হবে। অন্যদের দেওয়া হবে না, এটা ঠিক নয়। বিরোধী রাজনৈতিক দলের কণ্ঠস্বরকে এ ভাবে দমিয়ে দেওয়া উচিত নয়। সেখানে তো কোনও লটারি দোকান দেবেন না। বইয়ের দোকান দেবেন। অসুবিধার কী আছে?"

কলকাতা: বনগাঁয় সিপিএমের (CPIM) বইয়ের স্টল বসানো মামলায় পুলিশের কাছে রিপোর্ট চাইল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। বুধবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের নির্দেশ দিয়েছেন, আগামিকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার এই মামলার রিপোর্ট আনতে হবে পুলিশকে। জানাতে হবে, কতগুলি স্টল বসানো হয়েছে বা স্টল বসানোর কাজ চলছে। পূর্ত দফতর থেকে সেগুলির প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া হয়েছে কি না। বিচারপতির মন্তব্য, “একপক্ষকে দেওয়া হবে। অন্যদের দেওয়া হবে না, এটা ঠিক নয়। বিরোধী রাজনৈতিক দলের কণ্ঠস্বরকে এ ভাবে দমিয়ে দেওয়া উচিত নয়। সেখানে তো কোনও লটারি দোকান দেবেন না। বইয়ের দোকান দেবেন। অসুবিধার কী আছে?”
বিচারপতি ভট্টাচার্যের বেঞ্চে মামলার শুনানি নিয়ে আপত্তি জানায় রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিৎ নাথ মিত্র। তাঁর বক্তব্য, “এই বেঞ্চ সিপিএম-এর মামলা শুনতে পারে না। এটি পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা বা অতিসক্রিয়তা সংক্রান্ত মামলা নয়। কারণ, এর সঙ্গে পুলিশের কোনও সম্পর্ক নেই। তাই মামলাটির শুনানি উপযুক্ত বেঞ্চে হওয়া উচিত।” রাজ্যের দাবি, পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার বেঞ্চে এই মামলা পাঠানো হোক।
এজির যুক্তি, স্টল বসাতে চেয়ে মহকুমাশাসকের কাছে আবেদন করেছিল সিপিএম (CPM)। কিন্তু তিনি কী ভাবে অনুমতি দেবেন? জায়গাটি পূর্ত দফতরের। বইয়ের স্টল বসানোর জন্য সিপিএমের উচিত ছিল পূর্ত দফতরের কাছে আবেদন করার। তা ছাড়া এই বেঞ্চে মহকুমাশাসক বা পূর্ত দফতরের বিরুদ্ধে কোনও মামলার শুনানি হওয়া উচিত নয়। সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে মামালটি পাঠানো হোক।
বিচারপতি ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, মামলাটি তিনি ছেড়ে দেবেন কি না তা বিবেচনা করবেন। তবে তার আগে পুলিশের কাছ থেকে একটি রিপোর্ট নিতে চান। জানতে চান, পূর্ত দফতরের অনুমতি নিয়ে কারা বইয়ের স্টল দিচ্ছেন। আগামিকাল রিপোর্ট দিতে হবে।
