Suspended TMC Leader Riju Dutta: তৃণমূলকে পাকিস্তানের সঙ্গে তুলনা, বিস্ফোরক ঋজু দত্ত
Riju Dutta on TMC: ঋজু যে বিজেপি যে জয়েন করছেন না তা বেশ জোর দিয়েই বলছেন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে আবার বিজেপিকে ধন্যবাদ জানাতেও ভুললেন না। বললেন, “আমি বিজেপির কাছে জয়েন করার জন্য আবেদনও করিনি। কিন্তু আমার লোকাল বিধায়ক রিতেশ তিওয়ারি পুলিশকে ফোন করে আমার পাশে দাঁড়িয়েছে।”

সুদীপ্ত কংস বণিকের রিপোর্ট
কলকাতা: সাসপেন্ড হয়েই তৃণমূলের দুর্নীতির পর্দাফাঁস করলেন ঋজু দত্ত। “চাকরি বিক্রি হয়নি এ কথা বলার মতো পাপ কিছু হতে পারে না। চাকরি বিক্রি প্রমাণিত।” মন্তব্য তৃণমূলের সাসপেন্ডেড নেতার। “বাড়ির প্ল্যান থেকে নির্মাণ, সব ক্ষেত্রে টাকা দিতে হয়। বাড়িতে কোমড বসাতে হলেও টাকা নেয় তৃণমূল।” এ ভাষাতেই করলেন আক্রমণ। ঋজুর সাফ কথা, “৯৩ শতাংশ বাংলার মানুষ ভোট দিয়েছে। কলকাতার রাস্তায় বেরোলে মনে হচ্ছে ভারত জিতেছে, পাকিস্তান হেরেছে। নতুন স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছে মানুষ। মানুষ মন খুলে কথা বলতে পারছে।”
‘মন সায় না দিলেও বাধ্য হয়ে করতাম’
তীব্র ক্ষোভের সময়, “কলকাতা-শহরতলিতে আপনি নিজের বাড়িতে আপনি আরও এক তলার জন্য কর্পোরেশনের কাছে প্ল্যান নিতে গেলে আপনাকে টাকা দিতে হয়। একটা তলা তোলার সময় তৃণমূলের লোকেদের টাকা দিতে হয়।” অতীতের ক্ষত বুকে চেপে আরও বলেন, “আরজি করের সময় আমি দলের হয়ে লড়াই করেছি। সন্দেশখালির সময় দলকে ডিফেন্ড করেছি। কারণ আমি দলের মুখপাত্র ছিলাম। কিন্তু মন থেকে কী সেটা মেনে নিয়েছি? দল বলে দিত তাই বাধ্য হয়ে দুর্নীতির পরেও বাধ্য হয়ে আমরা ডিবেট করতাম। মন সায় না দিলেও বাধ্য হয়ে করতাম।”
ক্ষোভ উগরে দিয়েছে আইপ্যাকের বিরুদ্ধেও। তীব্র ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, “আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈন দল চালাতো তৃণমূল নয়। টিকিটের জন্যে সত্যি টাকা চাওয়া হতো। আমার কাছেও ৫০ লাখ চেয়েছিল।” চাপানউতোরের মধ্যে খোঁচা দিতে ছাড়ছে না বিজেপি। বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ রাহুল সিনহা বলছেন, “এখন গলা ধাক্কা খেয়ে অনেকের চৈতন্য ফিরতে শুরু করবে উপায় নেই বলে।”
ঋজু যে বিজেপি যে জয়েন করছেন না তা বেশ জোর দিয়েই বলছেন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে আবার বিজেপিকে ধন্যবাদ জানাতেও ভুললেন না। বললেন, “আমি বিজেপির কাছে জয়েন করার জন্য আবেদনও করিনি। কিন্তু আমার লোকাল বিধায়ক রিতেশ তিওয়ারি পুলিশকে ফোন করে আমার পাশে দাঁড়িয়েছে। বলেছে ঋজুর গায়ে হাত দেওয়া নিয়ে আমার গায়ে হাত দেওয়া। উত্তর কলকাতার বিজেপির নেতারা আমার পরিবারকে প্রোটেকশন দিয়েছে। আমার শ্বশুরকে যখন চড় মারছিল তখনও এক বিজেপি নেতা বাঁচিয়েছে।”
