Suvankar on Mamata: হঠাৎ মমতাকে কীসের জন্য ‘স্বাগত’ জানালেন কংগ্রেসের শুভঙ্কর?
Mamata Banerjee: বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে ইতিমধ্যেই মমতাপন্থী তৃণমূল ও ঋত তৃণমূলের মধ্যে মত পার্থক্য রয়েছে। এরপর আবারে সামনে একুশে জুলাই। দুই তৃণমূল এবার আলাদা-আলাদা তা পালনে ব্যস্ত। এক কথায় বলা যায় শহিদদের নিয়ে রীতিমতো দড়ি টানাটানি চলছে।

উত্তর ২৪ পরগনা: আড়াআড়ি ভাগে বিভক্ত তৃণমূল কংগ্রেস। উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে ‘নব তৃণমূল ব্লক’। এখন কে আসল আর কে নকল তৃণমূল কংগ্রেস তা যখন প্রমাণে ব্যস্ত দুই শিবির, সেই সময় আবার কংগ্রেস নেতা শুভঙ্কর সরকার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ জানালেন।
বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে ইতিমধ্যেই মমতাপন্থী তৃণমূল ও ঋত তৃণমূলের মধ্যে মত পার্থক্য রয়েছে। এরপর আবারে সামনে একুশে জুলাই। দুই তৃণমূল এবার আলাদা-আলাদা তা পালনে ব্যস্ত। এক কথায় বলা যায় শহিদদের নিয়ে রীতিমতো দড়ি টানাটানি চলছে। ইতিমধ্যেই গান্ধীমূর্তির পাদদেশে একুশে জুলাই পালনের অনুমতি পেয়েছেন ঋত তৃণমূল। এ দিকে কোথায় একুশে জুলাই হবে সেই জায়গা বাছতে কালঘাম ছুটছে মমতাপন্থী তৃণমূলের। কার্যত কোথায় শহিদ দিবস পালিত হবে সেই জায়গা এখনও বেছে ওঠা সম্ভব হয়নি।
এই আবহের মধ্যে জাতীয় কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। তিনি কংগ্রেসের শহিদ দিবসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ জানালেন। তাঁর দাবি, যদি মমতা ক্ষমা চান, যদি বলেন যা করেছি ভুল করেছি। তাহলে কংগ্রেসের একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে স্বাগত। শুভঙ্কর বলেন, “উনি যদি বলেন ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি তখন ছাত্র রাজনীতি করি। ওই সময় কলকাতার সব দিক থেকে জমায়েত হচ্ছিল। সেই সময় প্রচুর মানুষ ব্যারিকেড ভাঙে। পুলিশ লাঠি চালায়।” তিনি আরও বলেন, “নিজেদের বুকের রক্ত দিয়ে যাঁরা কংগ্রেসের পতাকা ভিজিয়েছেন, তাঁদের অন্য পতাকার আশ্রয়ে নেওয়া ঠিক হয়নি। তাহলে তাঁকে স্বাগত।”
তৃণমূলের পতনের পর সম্প্রতি দিল্লিতে সনিয়া গান্ধীর সঙ্গে বৈঠকে করেন। তখনই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, তৃণমূল ও কংগ্রেস এক হতে পারে। সূত্রের খবর, সনিয়া মমতাকে কংগ্রেসে যোগদানের প্রস্তাব দিয়েছেন।
