Kalyan on Ritabrata: ‘ওইখানকার লোকরাই বলছে, প্রেসিডেন্সি থেকে এমন জিনিস বেরল ভাবতেই পারছি না’, নাম না করে ঋতব্রতকে বেনজির কটাক্ষ কল্যাণের
Kolkata: অর্থাৎ ঘাসফুল প্রতীকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রার্থীরা যে লড়াই করবেন সেটা আরও একবার স্পষ্ট করেছেন সাংসদ। এরপরই কল্যাণ বলেন, "এখন প্রেসিডেন্সির ছেলেটার তো প্রচুর বুদ্ধি, প্রচুর পড়াশোনা। সেখানকার লোকরা বলছেন, ভাবতেই পারছি না এখান থেকে এমন জিনিস বেরিয়ে এল।"

কলকাতা: প্রতীক কার সঙ্গে থাকবে? আপাতত এই লড়াইয়ে জেরবার তৃণমূল। একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের (RitabrataBanerjee) শিবির। এবার প্রতীক কাড়াকাড়ি যখন চলছে সেই সময় আবার দু’দুটো কেন্দ্রে রেয়েছে উপ-নির্বাচন (Bye Election)। তৃণমূলের দুই শিবিরই নিজের নিজের প্রার্থী দিয়েছে। এবার ঘাসফুলের প্রতীক কার কাছে থাকবে সেই নিয়ে যখন কমিশন অবধি বিষয়টি পৌঁছেছে সেই সময় শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee) জানালেন তারা ঘাসফুল প্রতীকেই লড়বেন। একই সঙ্গে নাম না করে ঋতব্রতকে তীব্র কটাক্ষ করলেন তিনি।
কল্যাণ প্রথমে বলেন, “যে প্রতীক বৈধ, যা কমিশন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিয়েছে সেই প্রতীকে আমরা মনোনয়ন দাখিল করব। ১৬ তারিখের মধ্যেই সব প্রতীক জমা দিতে হবে। তাই নির্বাচন কমিশন যদি এর মধ্যে অন্য কোনও নির্দেশ না দেয়… ততক্ষণ পর্যন্ত এই প্রতীকেই আমরা লড়ব।” অর্থাৎ ঘাসফুল প্রতীকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রার্থীরা যে লড়াই করবেন সেটা আরও একবার স্পষ্ট করেছেন সাংসদ। এরপরই কল্যাণ বলেন, “এখন প্রেসিডেন্সির ছেলেটার তো প্রচুর বুদ্ধি, প্রচুর পড়াশোনা। সেখানকার লোকরা বলছেন, ভাবতেই পারছি না এখান থেকে এমন জিনিস বেরিয়ে এল।”
এখানে উল্লেখ্য, ঋতব্রতপন্থী বিধায়কদের সদস্যপদ খারিজের আবেদন জানিয়ে বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুকে চিঠি দিয়েছিল কালীঘাট-শিবির। সেই চিঠির প্রেক্ষিতে কেন এখনও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হল না, সেই ক্ষেত্রে স্পিকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে তৃণমূল।
