AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

TMC Protest: শওকত থেকে কেষ্ট! জেলায় জেলায় শুরু হয়ে গেল তৃণমূলের ‘ফাটাফাটি’ খেলা

ED Raid: পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল শহরে ব্লক তৃণমূলের উদ্যোগে প্রতিবাদ মিছিল ঘড়ি মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। মুর্শিদাবাদের বহরমপুর পুরসভার পুরপিতা নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে শহরের মূল রাস্তায় প্রতিবাদ মিছিল বের করা হয়। একইভাবে উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়িতেও তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়।

TMC Protest: শওকত থেকে কেষ্ট! জেলায় জেলায় শুরু হয়ে গেল তৃণমূলের ‘ফাটাফাটি’ খেলা
রাস্তায় নামল তৃণমূল Image Credit: TV 9 Bangla
| Updated on: Jan 08, 2026 | 6:00 PM
Share

কলকাতা: সল্টলেক থেকে দাঁড়িয়েই ঘোষণা করে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাফ বলেন, “আজ বিকাল ৪টে থেকে সব ব্লকে ব্লকে, ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে এর প্রতিবাদে মিছিল হবে। তৃণমূলকে এইভাবে বিজেপির আক্রমণ করা, বিজেপির এই চুরি-ডাকাতি-লুঠের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হবে।” আর তারপরই উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ, সর্বত্রই রণংদেহি মেজাজে ঘাসফুল শিবিরের কর্মীরা। 

আইপ্যাক (I-PAC) ডিরেক্টর প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং সংস্থার দফতরে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির (ED) হানার প্রতিবাদে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ধিক্কার মিছিল করতে দেখা গেল তৃণমূল কর্মীদের। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ে ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লার নেতৃত্বে হাতিশালা এলাকায় একটি বিশাল প্রতিবাদ মিছিল দেখা যায়। ভাঙড়-২ ব্লকের নেতৃত্বদের উপস্থিতিতে চলা এই মিছিলে বিজেপি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর বিরুদ্ধে স্লোগান তোলা হয়। পাশাপাশি ঘটকপুকুর এলাকাতেও আহছান মোল্লা ও বাহারুল ইসলামের নেতৃত্বে পৃথক মিছিল বের করা হয়। 

অন্যদিকে, বারুইপুর পূর্বের বিধায়ক বিভাস সরদারের নেতৃত্বে ফুলতলা এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগের দাবি তোলা হয়। হুগলি জেলাতেও এই ঘটনার প্রতিবাদে দিকে দিকে মিছিল বের হয়। চাঁপদানীর বিধায়ক অরিন্দম গুঁইনের নেতৃত্বে বৈদ্যবাটি থেকে শ্রীরামপুর পর্যন্ত বিশাল মিছিল বের হয়। সিঙ্গুরে বৈদ্যবাটি-তারকেশ্বর রোডে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মীরা। এছাড়া আরামবাগে তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক স্বপন নন্দীর নেতৃত্বে এবং হরিপাল ও তারকেশ্বরেও ধিক্কার মিছিল আয়োজিত হয়। বীরভূমে পথে নামতে দেখা যায় অনুব্রত মণ্ডলকেও। 

অন্যদিকে পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল শহরে ব্লক তৃণমূলের উদ্যোগে প্রতিবাদ মিছিল ঘড়ি মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। মুর্শিদাবাদের বহরমপুর পুরসভার পুরপিতা নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে শহরের মূল রাস্তায় প্রতিবাদ মিছিল বের করা হয়। একইভাবে উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়িতেও তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, রাজনৈতিকভাবে লড়াই করতে না পেরে বিজেপি কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে দিয়ে আইপ্যাক ও তৃণমূলের আইটি সেলে হানা দিয়ে কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করছে। 

কিছুদিন আগেই বাঁকুড়ার বড়জোড়ায় জনসভা করেছিলেন মমতা। সেখানেই বিজেপির বিরুদ্ধে লাগাতার সুর চড়াতে দেখা যায় মমতাকে। সুর চড়িয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধেও। সেদিনেই বলেছিলেন, “দারুণ খেলা হবে এবার। ফাটাফাটি। এবারকার খেলার নাম হবে ফাটাফাটি। আর বিজেপির জন্য থাকবে কী, সেটা আপনারা নিজেরা বানিয়ে নিন। আমি বললে খারাপ লাগবে।”