TMC: তফশিলি ভোট পেতে মরিয়া তৃণমূল, আজ বিশেষ ‘সংলাপে’ অভিষেক
TMC: রাজ্য বিধানসভায় ১০০টিরও বেশি আসনে তফশিলি জাতি উপজাতির প্রভাব রয়েছে। ভোটের অঙ্কের নিরিখেও তৃণমূলের এই পদক্ষেপ যথেষ্টই গুরুত্বপূর্ণ। এদিনের বৈঠকে তফশিলি জনসংযোগ নিয়ে যে রূপরেখা তৈরি হবে, তার ভিত্তিতেই আগামী দিনে দুয়ারে দুয়ারে ঘুরে জনসংযোগ করবেন জনপ্রতিনিধিরা। তৃণমূল সূত্রে খবর, দলের নেতা-নেত্রী এবং জনপ্রতিনিধিরা ওই প্রচার গাড়িতে চেপে তফশিলি জাতি এবং জনজাতি অধ্যুষিত এলাকায় প্রচার চালাবেন।

কলকাতা: রাজ্য জুড়ে পরিবর্তন যাত্রা করছে বিজেপি। আর এদিকে, তৃণমূলের নজরে তফশিলি ভোট। সোমবার নজরুল মঞ্চে তৃণমূলের তফশিলি সমাবেশ। তফশিলি জাতি ও উপজাতি নেতাদের সঙ্গে এদিন বৈঠক করবেন তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তফশিলি সংলাপ ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগেও হয়েছিল। এর মাধ্যমে তফশিলি জাতি ও উপজাতি অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে জনসংযোগ গড়ে তুলেছিল তৃণমূল। ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে আবারও তফশিলি জাতি ও উপজাতি এলাকাগুলিতে বিশেষ নজর দিচ্ছে ঘাসফুল শিবির।
এই বৈঠকে উপস্থিত থাকছেন ভোট কুশালী আইপ্যাক সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনও। প্রায় সাড়ে তিন হাজার বিধায়ক, সংগঠক, নেতারা এই বৈঠকে থাকছেন। সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ মতুয়া গড়! সেটাও এই তফশিলি সংলাপের মধ্যে পড়ছে। তালিকা বেরনোর পর দেখা গিয়েছে, বহু বিধানসভায় প্রায় ৯০ শতাংশ মতুয়ারা নাম বাদ গিয়েছে। অন্তত এমনই দাবি করা হয়েছে সাংসদ মমতাবালা ঠাকুরের তরফে।
রাজ্য বিধানসভায় ১০০টিরও বেশি আসনে তফশিলি জাতি উপজাতির প্রভাব রয়েছে। ভোটের অঙ্কের নিরিখেও তৃণমূলের এই পদক্ষেপ যথেষ্টই গুরুত্বপূর্ণ। এদিনের বৈঠকে তফশিলি জনসংযোগ নিয়ে যে রূপরেখা তৈরি হবে, তার ভিত্তিতেই আগামী দিনে দুয়ারে দুয়ারে ঘুরে জনসংযোগ করবেন জনপ্রতিনিধিরা। তৃণমূল সূত্রে খবর, দলের নেতা-নেত্রী এবং জনপ্রতিনিধিরা ওই প্রচার গাড়িতে চেপে তফশিলি জাতি এবং জনজাতি অধ্যুষিত এলাকায় প্রচার চালাবেন। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে কথা বলে শুনবেন তাঁদের পাওয়া না-পাওয়ার কথা।
উল্লেখ্য, দক্ষিণবঙ্গে মূলত নদিয়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুরে তফশিলি জাতি-উপজাতি জনগোষ্ঠীর বাস। উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রে আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার- এই সমস্ত এলাকাগুলির ওপর বিশেষ নজর দিচ্ছে তৃণমূল। গত বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভোটের হার ছিল প্রায় ৪৫-৪৬ শতাংশ। এবার সেই হার বাড়াতে চাইছে তৃণমূল।
