CM Suvendu Adhikari: ‘বাংলার মানুষ তিন-চারবার না রেখে চেঞ্জ করে না’, বাঙালির সহ্যশক্তি সবথেকে বেশি কেন বললেন মুখ্যমন্ত্রী?
TV9 Bangla Conclave: মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "পাবলিকের খুব সহ্যশক্তি আছে। জনতা জনার্দন আপনাকে অ্যালাও করে, দেখে। আর পশ্চিমবঙ্গের মানুষ তো তিন-চারবার না রেখে, তাকে টেস্ট না করে, আপনি যতই বলুন, চেঞ্জ করে না। খুব টাইম দেয়। বাঙালির সহ্যশক্তি সবথেকে বেশি।"

কলকাতা: রাজ্যে পালাবদলের পরই চালু হয়েছে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প। কেন এতদিন এই কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্প রাজ্যে চালু হতে দেওয়া হচ্ছিল না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এ দিন টিভি৯ বাংলার কনক্লেভে (TV9 Bangla Conclave) উপস্থিত হয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আগের সরকার বলেছিল, আয়ুষ্মান ভারত সবাই পাবে না। শুধু কিছু সংখ্যক মানুষই পাবে।”
এ দিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী পদে কেউ কথা বললে, ধরে নিতে হয় যে দায়িত্ব নিয়ে কথা বলছেন। আগের মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যসাথী চালু করলেন। বলে দিলেন যে এই এই করা যাবে, এগুলি করা যাবে না। পশ্চিমবঙ্গের বাইরে কোথাও স্বাস্থ্যসাথীর সুবিধা পাওয়া যায় না। সিএমসি ভেলোর চালু করেছিলেন দুই মাসের জন্য, ৫৮ কোটি টাকার বিল পাঠিয়েছিল। ওই বিল দেখে বলল বন্ধ করে দাও। সিএমসি ভেলোরও বন্ধ হয়ে গেল। এই দল, ওই দল-আয়ুষ্মান ভারত তিনটি রাজ্য বাদে সব রাজ্যেই চালু হয়েছিল।”
এরপরই তিনি বলেন, “পাবলিকের খুব সহ্যশক্তি আছে। জনতা জনার্দন আপনাকে অ্যালাও করে, দেখে। আর পশ্চিমবঙ্গের মানুষ তো তিন-চারবার না রেখে, তাকে টেস্ট না করে, আপনি যতই বলুন, চেঞ্জ করে না। খুব টাইম দেয়। বাঙালির সহ্যশক্তি সবথেকে বেশি। তিনটে রাজ্য বলেছিল, না না, নরেন্দ্র মোদীর আয়ুষ্মান ভারত চালু হবে না। তিনটি রাজ্যের প্রথম হল দিল্লি। ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনের আগে ২০২৩ সালে নভেম্বর মাসে দিল্লিতে নির্বাচন হয়েছিল। পিপল রিজেক্টেড। বলল, আয়ুষ্মান ভারত চালু করোনি, তোমাকেই পাল্টে দিলাম। দ্বিতীয় রাজ্য হল ওড়িশা। ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনের ওড়িশা ও অন্ধ্র প্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল। জগন্নাথ দেবের মাটি, উৎকলের মাটি। ওড়িশাও নবীনবাবুকে বলল, তুমি আয়ুষ্মান ভারত চালু করোনি, তোমাকেও বদলে দিলাম। ভারতবর্ষে একটা রাজ্য বাকি ছিল, পশ্চিমবঙ্গ। সেটাও আপনারা পাল্টে দিয়েছেন। ২০২৬ সালের ৪ মে ফল পেয়েছি। উন্নয়নে কেন্দ্র-রাজ্যের সম্পর্ক কখনওই এরকম পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া উচিত নয়।”
