Mid-Day Meal: পাতে খিচুড়ি, আলুভাজা, পাঁপড় ভাজা, টিভি৯ বাংলার খবরে মুখে হাসি পড়ুয়াদের, গড়িয়ার স্কুলে চালু মিড-ডে মিল
Garia School Mid-Day Meal: বোড়াল সমিতি বিদ্যাপীঠে টানা তিনদিন ধরে বন্ধ ছিল মিড-ডে মিল (Mid-Day Meal)। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অভিযোগ করেছিলেন,তিন মাস ধরে স্কুলে আসছে না ফান্ড। ধার করেই এতদিন ধরে মিড-ডে মিলের রান্না চলছিল। কিন্তু, ধার এতটাই বেড়ে যায় যে শেষপর্যন্ত মিড-ডে মিল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় স্কুল কর্তৃপক্ষ।

কলকাতা: টিভি৯ বাংলার খবরের জের। গড়িয়ার বোড়াল সমিতি বিদ্যাপীঠে চালু হল মিড-ডে মিল। আবারও জ্বলল উনুন। রান্না হল খিচুড়ি, আলুভাজা, পাঁপড় ভাজা। তিন দিন পর আবার মিড-ডে মিল চালু হতেই মুখে চওড়া হাসি পড়ুয়াদের। তিনদিন পর প্রায় ২০০ পড়ুয়ার মুখে ফের খাবার তুলে দিতে পেরে খুশি স্কুল কর্তৃপক্ষও।
বোড়াল সমিতি বিদ্যাপীঠে টানা তিনদিন ধরে বন্ধ ছিল মিড-ডে মিল (Mid-Day Meal)। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অভিযোগ করেছিলেন,তিন মাস ধরে স্কুলে আসছে না ফান্ড। ধার করেই এতদিন ধরে মিড-ডে মিলের রান্না চলছিল। কিন্তু, ধার এতটাই বেড়ে যায় যে শেষপর্যন্ত মিড-ডে মিল (Garia School Mid-Day Meal) বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় স্কুল কর্তৃপক্ষ। প্রধান শিক্ষকের অভিযোগ, পুরসভায় চিঠি দিয়েও কোনও কাজ হয়নি। সেইসময় পুরসভার দাবি করে, তিন মাস ধরে জেলা থেকে টাকা আসছে না। তবে, দ্রুত সমস্যা সমাধানের আশ্বাসও দেওয়া হয়।
টিভি৯ বাংলায় এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই দ্রুত পদক্ষেপ করা হয়। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী নিজেই আশ্বাস দিয়েছিলেন। তারপরই স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে জেলা আধিকারিক। স্কুল কর্তৃপক্ষকে তারা জানায়, দুই-তিনদিনের মধ্যে ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা স্কুলে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে, এখনই যেন মিড-ডে মিল চালু করে দেয় স্কুল কর্তৃপক্ষ।
প্রতিশ্রুতি পেতেই মিড-ডে মিল চালু করে স্কুল কর্তৃপক্ষ। শিশুদের মুখে ফের খাবার তুলে দিতে পেরে খুশি প্রধান শিক্ষক থেকে বাকি শিক্ষক ও কর্মীরা।
