West Bengal Bengal Election: ১০টি গণনাকেন্দ্র কমিয়ে আনল কমিশন! কীভাবে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়ে মুড়ছে এলাকা দেখুন
West Bengal Election Counting Centres: বিশেষত স্ট্রং রুম পাহারার ক্ষেত্রে কোনও ঝুঁকি নেওয়া হচ্ছে না। প্রতিটি রুমের নিরাপত্তায় ২৪ ঘণ্টা কমপক্ষে ২৪ জন করে সশস্ত্র জওয়ান পাহারায় থাকছেন। পরিচয় জালিয়াতি রুখতে, বেনামে প্রবেশ রুখতে এবারই প্রথম কিউআর কোড ভিত্তিক পরিচয়পত্র ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কলকাতা: ভোটদানে বিরাট রেকর্ড। স্বাধীনতার পর সর্বকালীন সেরা ভোট বাংলায়। উচ্ছ্বসিত কমিশন। এখন সব নজর ৪ মে গণনার দিন। এরইমধ্যে গণনাকেন্দ্রের সংখ্যা কমিয়ে ফেলছে নির্বাচন কমিশন। আগে ৮৭টি জায়গায় গণনা হওয়ার কথা থাকলেও, নতুন তালিকায় তা কমিয়ে ৭৭টি করা হয়েছে।
সূত্রের খবর, কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী ৫টি ছোট গণনাকেন্দ্রকে একটি বড় কেন্দ্রের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে একটি কেন্দ্রেই ১০টি বিধানসভা আসনের গণনা চলবে। পুরো এলাকাতেই সর্বক্ষণ চলবে সিসিটিভি-র নজরদারি। ইতিমধ্যেই গণনাকেন্দ্র ও ইভিএম রাখা স্ট্রং রুমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করছে কমিশন। আগে নির্ধারিত ২০০ কোম্পানি বাহিনীর সংখ্যা আরও বাড়ানো হচ্ছে বলে খবর। আগে সিআরপিএফ ছিল ১০০ কোম্পানি, বিএসএফ-২০ কোম্পানি, আইটিবিপি-১৫ কোম্পানি এবং এসএসবি-১৫ কোম্পানি বাহিনী। কমিশন সূত্রে খবর, ওই সংখ্যা আরও বাড়ানো হচ্ছে।
বিশেষত স্ট্রং রুম পাহারার ক্ষেত্রে কোনও ঝুঁকি নেওয়া হচ্ছে না। প্রতিটি রুমের নিরাপত্তায় ২৪ ঘণ্টা কমপক্ষে ২৪ জন করে সশস্ত্র জওয়ান পাহারায় থাকছেন। পরিচয় জালিয়াতি রুখতে, বেনামে প্রবেশ রুখতে এবারই প্রথম কিউআর কোড ভিত্তিক পরিচয়পত্র ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গণনাকেন্দ্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে পার করতে হবে ত্রি-স্তরীয় নিরাপত্তা বলয়। প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে রিটার্নিং অফিসারের ইস্যু করা ছবি-সহ আইডেন্টিটি কার্ড ম্যানুয়ালি যাচাই করা হবে। শেষ দাপে কিউআর কোড স্ক্যান করার পরেই ভেতরে যাওয়ার অনুমতি মিলবে। রিটার্নিং অফিসার থেকে শুরু করে প্রার্থী, নির্বাচনী এজেন্ট, সকলের জন্যই এই ডিজিটাল যাচাই বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
সব গণনাকেন্দ্রেকেই কার্যত নিশ্ছিদ্র ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বেষ্টনীতে মুড়ে ফেলা হচ্ছে। একেবারে ভিতরে ও তার পরের ধাপের নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাবেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। অন্যদিকে গণনাকেন্দ্রের সবচেয়ে বাইরের স্তরে আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকবে রাজ্য পুলিশ।
