AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

SIR-এ বাংলার তিন জেলা পাবে বাড়তি সময়? নয়াদিল্লিতে চিঠি পাঠানোর কথা ভাবছেন সিইও

SIR in Bengal: সূত্রের খবর, তিন জেলার নির্বাচনী আধিকারিকদের থেকে সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন চিঠি পেয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে সেই বিষয়ে অবগত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলার সিইও বা মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। নয়াদিল্লিতে এই মর্মে চিঠি পাঠাতে চলেছেন সিইও মনোজ আগরওয়াল।

SIR-এ বাংলার তিন জেলা পাবে বাড়তি সময়? নয়াদিল্লিতে চিঠি পাঠানোর কথা ভাবছেন সিইও
প্রতীকী ছবিImage Credit: Getty Image
| Edited By: | Updated on: Feb 06, 2026 | 11:46 PM
Share

কলকাতা: রাত পেরলেই ৭ ফেব্রুয়ারি। নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টিতে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় তথ্য যাচাই বা শুনানির শেষ দিন। কিন্তু তার আগেই সিইও দফতরে জমা পড়ল সময়সীমা বৃদ্ধির আবেদন। এল তিন জেলা থেকে — উত্তর কলকাতা, মালদহ এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা। শুনানির সময়সীমা আরও বাড়ানোর জন্য আবেদন জানালেন নির্বাচনী আধিকারিকরা।

সূত্রের খবর, তিন জেলার নির্বাচনী আধিকারিকদের থেকে সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন চিঠি পেয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে সেই বিষয়ে অবগত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলার সিইও বা মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। নয়াদিল্লিতে এই মর্মে চিঠি পাঠাতে চলেছেন সিইও মনোজ আগরওয়াল। তবে এই তিন জেলা বাদ দিয়ে বাংলার অন্য কোনও জেলার জন্য বাড়তি সময়সীমা বরাদ্দ করার জন্য সেই চিঠিতে আবেদন করবে না সিইও দফতর।

এই প্রসঙ্গে বলে রাখা প্রয়োজন, বাংলার সময়সীমা বৃদ্ধি এখন সময়ের হাতে। কিন্তু যোগীরাজ্য়ে এই আবহেই বেড়েছে সময়। আপত্তি জানানো থেকে শুরু করে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ — সবটাই একেবারে এক মাস পিছিয়ে দিয়েছেন সে রাজ্যের সিইও। এবার বাংলার ক্ষেত্রে একই রকম কোনও পদক্ষেপ করা হয় কিনা তা দেখার বিষয়।

শুনানি বিমুখী ৩৭ লক্ষ

কমিশন সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত বাংলার দেড় কোটি বা নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে, ১ কোটি ৫১ লক্ষ ভোটারের কাছে শুনানির নোটিস পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কিন্তু গত ৫ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখনও পাঁচ লক্ষ ভোটার শুনানি কেন্দ্র পর্যন্ত এসে পৌঁছতে পারেননি। আগামিকাল অর্থাৎ শুনানির অন্তিম দিনেও তাঁরা সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে পৌঁছতে না পারলে তাঁদের নাম বাদ দেবে কমিশন। প্রত্যেককে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হবে কেন তাঁদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এই না-আসার শুনানির প্রথম দিনেও লক্ষ করা গিয়েছিল। সেদিন হাজিরা দেননি ৩৭ লক্ষ ভোটার।