June Deficit: প্রস্তুত থাকুন, জুলাই পড়তেই বাকিটা ‘মেক-আপ’! বর্ষাকালের মধ্যেই এল নতুন সতর্কবার্তা
Weather Update: টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ। আগামিকাল সকাল পর্যন্ত কমলা সতর্কতা জারি রয়েছে উত্তরে। উত্তরের ওপরের দিকে পাঁচ জেলা, দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পাহাড়ি রাস্তায় আরও ধস নামতে পারে। বিপদ বাড়তে পারে সিকিম, ভুটানের জলে।

কলকাতা: জুনের ঘাটতি কি জুলাইয়ে মিটবে দক্ষিণবঙ্গে? দক্ষিণবঙ্গে ২৪% বৃষ্টির ঘাটতি জুনে। জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে বৃষ্টি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গে। ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কবার্তা রয়েছে। রবিবার ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস কলকাতা, হুগলি, হাওড়ায়। রবিবার অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। রবিবারই অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে দুই মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, ঝাড়গ্রামেও। আপাতত রোজই ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা দক্ষিণবঙ্গে।
জুন মাসের শেষ পর্যন্ত মোটের ওপর দক্ষিণবঙ্গে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিই হয়েছে। তাতে আরও বেড়ে প্যাচপ্যাচে গরম। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় ঘেমেনেয়ে একাকার অবস্থা হতে হচ্ছে। গত কয়েকদিনে কলকাতা-শহরতলিতে দুপুরের পর থেকে কালবৈশাখীর দাপট দেখা গিয়েছে, তবে গরম কমেনি তাতে। বৃষ্টি শেষেই বেড়েছে ভ্যাপসা গরম।
এদিকে, টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ। আগামিকাল সকাল পর্যন্ত কমলা সতর্কতা জারি রয়েছে উত্তরে। উত্তরের ওপরের দিকে পাঁচ জেলা, দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পাহাড়ি রাস্তায় আরও ধস নামতে পারে। বিপদ বাড়তে পারে সিকিম, ভুটানের জলে।
আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস বুধবার বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বৃষ্টি কমার সম্ভাবনা রয়েছে। গতকালও উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ভারী বৃষ্টি হয়েছে। নদীর জলস্তর আরও বাড়তে পারে। একাধিক জায়গায় চলছে বাঁধ মেরামতির কাজ। নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।
তোরসার নদীর ভয়াল ভাঙন গ্রাস করে নিচ্ছে চা বাগান, আতঙ্কে বাগান শ্রমিক পরিবার। উড়ে গিয়েছে রাতের ঘুম। দুশ্চিন্তায় বাগান কর্তৃপক্ষ। টানা ভারী বৃষ্টির জেরে আলিপুরদুয়ার জেলার তোরসা নদীর জলস্তর দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে কালচিনি ব্লকের সুভাষিণী চা বাগানে ভাঙন পরিস্থিতি ক্রমশ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। উত্তাল তোরসার স্রোতে একের পর এক চা বাগানের জমি ও চা গাছ নদীগর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে। এতে চা বাগান কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি শ্রমিক পরিবারগুলোর মধ্যেও চরম আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
