Union Budget 2026: এবারের বাজেটে কী পেতে পারে ভারতের গাড়ি শিল্প?
Union Finance Minister Nirmala Sitharaman: বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জটিল নিয়মকানুনের চাপে বহু ডিলার সমস্যায় পড়ছেন। ডিজেল, পেট্রোল ও হাইব্রিড যাত্রীবাহী গাড়ির ক্ষেত্রে নিয়ম সরল না হলে দক্ষভাবে ব্যবসা চালানো এবং নতুন প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ কঠিন হয়ে যাচ্ছে। তাঁরা বলছেন, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সহজ হলে আস্থা বাড়বে, শিল্পও এগোবে।

আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ঘোষণা হবে কেন্দ্রীয় বাজেট। আর তার আগে দেশের গাড়ি শিল্পে জোরাল হচ্ছে নীতিগত প্রত্যাশা। গাড়ি শিল্পের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন স্তরের মানুষ বলছেন এই শিল্পে এবার সরকারের সহায়তা দরকার। আর এবারের বাজেটে সরকার এই শিল্প নিয়ে কী কী করবে, সেদিকেই যেন তাকিয়ে রয়েছে গোটা অটোমোবাইল ইন্ডাস্ট্রি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জটিল নিয়মকানুনের চাপে বহু ডিলার সমস্যায় পড়ছেন। ডিজেল, পেট্রোল ও হাইব্রিড যাত্রীবাহী গাড়ির ক্ষেত্রে নিয়ম সরল না হলে দক্ষভাবে ব্যবসা চালানো এবং নতুন প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ কঠিন হয়ে যাচ্ছে। তাঁরা বলছেন, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সহজ হলে আস্থা বাড়বে, শিল্পও এগোবে।
হাইব্রিড গাড়ির গুরুত্বও বাড়ছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে। উন্নয়নশীল দেশগুলোয় বাস্তবতাই হাইব্রিড প্রযুক্তি ব্যবহারযোগ্য করে তুলেছে। অন্যদিকে, এই গাড়ি সাধারণ পেট্রোল গাড়ির তুলনায় পরিবেশবান্ধবও। করছাড় ও সহজ নীতির মাধ্যমে হাইব্রিড গাড়ি কিনতে ক্রেতাদের যদি সরকার অনুপ্রাণিত করে, তাহলে এই গাড়ির বিক্রি বাড়বে। উপকার হবে পরিবেশেরও কারণ দূষণ কমবে। এ ছাড়াও আগামীর জন্য দীর্ঘমেয়াদে এই সেক্টর একটা বৃদ্ধি দেখতে পাবে।
অন্যদিকে, অটোমোবাইল সেক্টরের কর কাঠামো নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এক বিশেষজ্ঞ বলেন, জিএসটি সংস্কারের বড় সুফল ইতিমধ্যেই মিলেছে। তবে তিনি ইলেকট্রিক ভেহিকলের সাবসিডি, পিএলআই স্কিমের সম্প্রসারণ, ইভি পরিকাঠামো সহ একাধিক নীতিতে জোর দেওয়ার কথাও বলেন। বিশেষ করে ইলেকট্রিক বাসে অতিরিক্ত বরাদ্দ ও গবেষণা-উন্নয়নে সরকারি সহায়তা শহরের পরিবহণ ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়াতে পারে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।
সব মিলিয়ে অটোমোবাইল শিল্পের বক্তব্য স্পষ্ট—নিয়ম সরলীকরণ, লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা ও পরিকাঠামোয় ধারাবাহিক বিনিয়োগই আগামী দিনে ভারতীয় অটোমোবাইল শিল্পে আরও প্রতিযোগিতা বাড়বে। বাজেটের দিকে তাকিয়ে এখন সেই সবেরই অপেক্ষা।
